গাজীপুরের কাঁঠাল: লক্ষ্য এবার বিদেশের বাজার
গ জ প র র ক ঠ – গাজীপুরের স্থানীয় কৃষিজনিত কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে কাঁঠাল উৎপাদন। প্রায় সব উপজেলাতেই এই ফসল বিস্তার পেয়েছে স্থান। তবে শ্রীপুর উপজেলা সর্বাধিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী সেখানে বছরে প্রায় ৭৮ হাজার টন কাঁঠাল তৈরি হয়। খাজা, গালা এবং দোরসা প্রজাতি সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে।
২০২৫ সালে গাজীপুরের কাঁঠালকে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর পর থেকে দেশীয় বাজার ছাড়াও রপ্তানি বাজারে এই ফসলের ব্যবসায়ী সম্ভাবনা খুঁজছে। জৈনা বাজার বর্তমানে দেশের প্রধান কাঁঠাল বিক্রি কেন্দ্র। মহাসড়কের পাশে কাঁঠালের স্তূপ দেখা যায়। পাইকারেরা সেগুলো কিনে ট্রাকে নিয়ে যাচ্ছেন নিজ অঞ্চলে। বাজারজুড়ে দর ও পরিবহনের প্রক্রিয়া চলছে।
শ্রীপুরের জৈনা এলাকার বাগানের মালিক মনির হোসেন জানান, উৎপাদন ভালো হলেও দাম অনেক কম হচ্ছে। অনেক বাগানে কাঁঠাল গাছেই নষ্ট হচ্ছে। বিক্রির টাকা দিয়ে পরিবহনের খরচও পূরণ হচ্ছে না। কৃষি বিভাগ বলছে, কাঁঠালের ব্যবসায় এখন শুধুমৌসুম জুড়ে চলছে তাজা ফলের বাজার নয়, প্রক্রিয়াজাত পণ্য উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং আচার পণ্য উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা। তিনি বলেন, ‘আগামী মৌসুম থেকে বাণিজ্যিকভাবে রপ্তানি শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।’
খাজা এলাকার বাগানের মালিক শহিদুল্লাহ বলেন, মাঝারি আকারের কাঁঠালের একটি লট প্রায় ৫-৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় আকারের লটের দাম ৭-৮ হাজার টাকা পর্যন্ত পৌঁছছে। ছোট কাঁঠালের লট দাম ৩-৫ হাজার টাকা। আজিজ মিয়া বলেন, কাঁঠালের মিষ্টতা ও স্বাদের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা এখান থেকে কাঁঠাল কিনে নেন।
ঢাকা থেকে কাঁঠাল কিনতে আসা ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, শ্রীপুরের কাঁঠাল বাজারে দ্রুত বিক্রি হচ্ছে। অনেক ক্রেতা পরিবহন বিকল্প নিয়ে কেনার জন্য এই অঞ্চলের কাঁঠাল চায়।
রপ্তানি প্রস্তুতি কার্যক্রম চালু
উত্তম কৃষিচর্চার মাধ্যমে উৎপাদিত কাঁঠাল ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে রপ্তানির প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়েছে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা। পরিকল্পনা অনুযায়ী সংরক্ষণ এবং রেডি টু কুক পণ্য উৎপাদনের সুযোগও তৈরি হয়েছে। এতে কৃষকদের আরও �
