বাজেট বৃদ্ধি ও বরাদ্দ বিন্যাস
শ র ষ প রকল পগ ল – সরকার প্রস্তাবিত নতুন অর্থবছরের উন্নয়ন কর্মসূচির পরিমাণ বৃদ্ধি করেছেন সরকার কর্তৃক ঘোষিত ৩ লাখ কোটি টাকায়। এ প্রস্তাব গতকাল জাতীয় সংসদে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রস্তুত করেন। তিনি বলেন, ‘মোট উন্নয়ন ব্যয়ের পরিমাণ ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা হলেও এডিপিতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা। এ বরাদ্দ থেকে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা সরকারের অর্থায়ন এবং ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ থেকে আসবে।’
উন্নয়ন খাতে বরাদ্দের বিস্তার
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ প্রকল্পভিত্তিক অর্থ অপেক্ষাকৃত বেশি। স্বাস্থ্য খাতে প্রকল্প বরাদ্দ ৬ হাজার ৮ কোটি টাকা হলেও থোক বরাদ্দ ২০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রকল্প বরাদ্দ ৫ হাজার ৪৮ কোটি টাকার বিপরীতে থোক বরাদ্দ ১৬ হাজার ২৯৯ কোটি টাকা। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে প্রকল্প বরাদ্দ ৩০ হাজার ১৬৪ কোটি টাকা হলেও থোক বরাদ্দ ১৩ হাজার ৯০২ কোটি টাকা রাখা হয়েছে।
প্রকল্প বরাদ্দ ও অব্যবহৃত অর্থের সমস্যা
বিশেষজ্ঞদের মতে অনুমোদিত প্রকল্পের বাইরে রাখা ধরনের থোক বরাদ্দ প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে। এসব অর্থ অনেক সময় ব্যয় করা হয় না। সরকার বিশ্লেষণে দেখা গেল যে শিক্ষা খাতে থোক বরাদ্দ প্রায় ৪৮ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা হলেও অনুমোদিত প্রকল্পে বরাদ্দ ১৭ হাজার ৪২৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। স্বাস্থ্য খাতে অনুমোদিত প্রকল্পে বরাদ্দ ৭ হাজার ৬৫২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা হলেও অননুমোদিত প্রকল্পে ২৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে।
বৃহৎ প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ
এডিপি বরাদ্দের তথ্য অনুসারে মেগা ১৫টি বৃহৎ প্রকল্পের জন্য মোট ৫৩ হাজার ৬২২ কোটি টাকা সরকার অর্থ বরাদ্দ করেছেন, যা এডিপি আকারের প্রায় ১৮ শতাংশ। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পটি সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে সরকারের পক্ষে। আগামী অর্থবছরে প্রকল্পটির বরাদ্দ ছিল ১০ হাজার ১১ কোটি টাকা হলেও এখনো বৃদ্ধি করেছেন ১৫ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকা।
বিশেষ করে কয়েকটি প্রকল্প
এডিপিতে প্রকল্পের সংশোধিত বরাদ্দ ঘোষণা করেছেন সরকার। তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছেন এমআরটি-১ প্রকল্পে। প্রস্তাবিত বরাদ্দ ৩ হাজার ৯১০ কোটি টাকা হলেও চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৪ গুণ বেশি। আগামী অর্থবছরে মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পটিকে তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি চলতি অর্থবছরের তুলনায় বরাদ্দ ছিল ১
