লাইসেন্স ছাড়া চলছে ৩ হাজার ফার্মেসি
ল ইস ন স ছ ড় চলছ – বগুড়া জেলার ওষুধ বিক্রি করার জন্য প্রায় ৩ হাজার ফার্মেসি বাইরে থাকার অভিযোগ উঠেছে। এ পর্যায়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বিষয়টি সঠিকভাবে তদারক করছেন না। অনেক ফার্মেসিতে যৌন উত্তেজক ওষুধ, মেয়াদোত্তীর্ণ দ্রব্য এবং সরকারি ঔষুধ বিক্রি হচ্ছে বলেও তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বগুড়া জেলার ওষুধ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট প্রায় ১০ হাজার ফার্মেসি রয়েছে। এর মধ্যে লাইসেন্স রয়েছে প্রায় ৭ হাজার। শহরে যেতে পারে না কিছু ব্যবসায়ী লাইসেন্স ছাড়া ফার্মেসি চালাচ্ছেন। তাঁদের কাছে কোনো সনদ না থাকায় প্রতিটি ব্যবসায়ী প্রায় আট বছর ধরে নতুন করে লাইসেন্স পেতে পারেন না।
বগুড়া শহরে প্রায় ১১০০ ফার্মেসি রয়েছে। তার মধ্যে লাইসেন্স রয়েছে প্রায় ৬০০টির। সে দ্বারা বাকি ৫০০টি ফার্মেসি বৈধ নয়। ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছে, তারা লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু সরকার ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স প্রদান করছে না।
“আমরা বৈধভাবে ব্যবসা করতে চাই। লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার সুযোগ না থাকায় অনেকে বাধ্য হয়ে লাইসেন্স ছাড়া দোকান পরিচালনা করছেন।” – শফিউল হক, ফার্মেসি ব্যবসায়ী
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কার্যালয় থেকে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। ওয়েবসাইটেও বগুড়া জেলার সঠিক ডেটা পাওয়া যায়নি। ঔষুধ তত্ত্বাবধায়ক জেসমিন বেগম বলেন, প্রতি মাসে পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের টার্গেট রয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বগুড়া জেলা কার্যালয় নিষিদ্ধ ঔষুধ বিক্রির অভিযোগ জানিয়েছে। উপপরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, কিছু ফার্মেসিতে ট্যাপেন্টাডল ও ঘুমের ওষুধ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া নেশাজাতীয় সিরাপ এবং অন্যান্য ঔষুধ বিক্রির অভিযোগও দাবি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি এ কে এম ফজলুর রহিম টিপু বলেন, কিছু ফার্মেসিতে নিষিদ্ধ ঔষুধ বিক্রির জন্য সদস্যদের পরামর্শ দেওয়া হয়। সম্প্রতি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সঙ্গে সেমিনার করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হলে তিন মাস বন্ধ করা হয়।
