শাজাহানপুরে মহাসড়কের ওপর নির্মাণ চালু, সড়ক চলাচল বিপদে পড়েছে
শ জ হ নপ র অব ধ – বগুড়ার মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নয়ন কাজ চলছে একদিকে, আর শাজাহানপুর উপজেলার এলাকায় অবৈধ দখলের সমস্যা তৈরি হয়েছে অপর দিকে। এখানে বনানী, মাঝিড়া, সেনাস্মরণী এবং বি-ব্লক সহ বিভিন্ন জায়গায় সড়ক দখলের চিত্র দেখা গেছে। কোথাও ভবনের সিঁড়ি তৈরি হয়েছে মহাসড়কের উপর, কোথাও ভবন বিস্তার করে সড়কে আংটি দেওয়া হয়েছে। এতে যানবাহন এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে আটক হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি মতে, নয়মাইল, আড়িয়াবাজার এবং কাটাবাড়িয়া এলাকায় মহাসড়ক ওপর হাট-বাজার বসে গেছে। এর ফলে পথচারী এবং শিক্ষার্থীদের ফুটপাত দিয়ে চলাচলের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। গত ১১ জুন শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থী নাফিয়া আক্তার অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন। মহাসড়কে আহত-নিহত হলে দায় অবৈধ দখলদারদের উপর নেওয়া হয় না।
আড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান আতিক বলেন, আড়িয়াবাজার বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে মহাসড়কের সংলগ্ন আড়িয়া রহিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। পশ্চিম পাশে রয়েছে সরকারি বালক প্রাথমিক বিদ্যালয়। আশপাশে কিন্ডারগার্টেন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
“আমার সিঁড়ি ভেতরে করা আছে। উপরের ভাড়াটিয়াদের সুবিধার জন্য অস্থায়ী সিঁড়ি করা হয়েছে মহাসড়কের পাশে। আমার ভবনের উত্তর-দক্ষিণে সব দোকান, বাড়ি মহাসড়কে দখল করে করা হয়েছে। সবারটা ভাঙলে আমারটাও ভাঙা হবে।”
মহাসড়কের ওপর নির্মাণ কাজ বনাম দখলমুক্ত করার জন্য উপজেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো কার্যক্রম নেওয়া হয়নি। শিক্ষক মহিউল ইসলাম বলেন, বি-ব্লক এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ করে মহাসড়কে দখল করা হয়েছে।
মাঝিড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, মাঝিড়া বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়ক অবৈধ দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। বনানী থেকে নয়মাইল পর্যন্ত এই অবস্থা চলছে। সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে সড়কে চলাচল করছে। প্রায়ই আহত-নিহতের ঘটনা ঘটছে।
উপজেলা পরিষদের মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় বহুবার এ বিষয় উত্থাপন করা হয়েছে কিন্তু সুফল মেলেনি। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের বগুড়া অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুল হক বলেন, দক্ষিণ এশীয় উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা (সাসেক-২) প্রকল্পের আওতায় মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। এখনো প্রকল্প হস্তান্তর করা হয়নি। তাই কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সাসেক-২ প্রকল্পের ম্যানেজার আহসান হাবীব বলেন, নয়মাইল এলাকা�
