শেষ মুহূর্তের নাটকে সুইজারল্যান্ডকে রুখে দিল কাতার
শ ষ ম হ র ত র – ম্যাচের চূড়ান্ত মুহূর্তে গোটা স্টেডিয়াম বিশ্বাস করে বসেছিল সুইজারল্যান্ডের নিশ্চিত জয়ের সম্ভাবনা। কিন্তু সেই নিশ্চিততা শেষ মুহূর্তে পরিবর্তিত হয়ে ড্রয়ের পরিণতি ঘটায় কাতার। শেষ মুহূর্তে বোয়ালেম খুখির একটি বুলেট হেড দিয়ে বিশ্বকাপের খাতায় প্রথমবারের মতো পয়েন্ট জমা করে কাতার। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে পাওয়া ড্র তাদের জয়ের মুখ খুলে দেয়।
ম্যাচ শুরুর দ্বিতীয় মিনিটে সুইজারল্যান্ডকে একটি পরাজয়ের সুযোগ বোয়ালেম খুখির গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদার জন্য রয়েছিল। সুইস ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকানজির একটি ভুল কারণে বল বক্সের বাইরে পৌঁছে যায়। তবে আকরাম আফিফের পাসের বাইরে বল পেয়ে ওয়ান-টু-ওয়ান পজিশনে কোবেল সেই সুযোগ বিপর্যয়ে দেখায়।
১৩তম মিনিটে মাঠে একটি জোরালো বিতর্ক তুলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নেয় রেফারি। কাতারি গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদার সামনে রেমো ফ্রয়লারের বক্সে বাইরে যাওয়া শট ভিএআর তদন্তের পর পেনাল্টি সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত হয়। বিতর্কের মুহূর্ত ছিল সেমি-অটোমেটেড অফসাইড গ্রাফিক না প্রদর্শন করার কারণে।
১৬ মিনিটে ব্রিল এম্বোলোর ক্রমাগত শট বিপক্ষকে বেশ কিছু গোল পেতে দেয়। ম্যাচের ৪২ মিনিটে কাতারের সেন্টার ব্যাক বোয়ালেম খুখি নিখুঁত ক্রসের সাহায্যে সুইজারল্যান্ডের হাত থেকে বাচে। তবে প্রথমার্ধে সুইজারল্যান্ড আবারও জয় নিশ্চিত করে বসে।
দ্বিতীয় অর্ধে অধিনায়ক গ্রানিত জাকার নেতৃত্বে কাতার সুইজারল্যান্ডের কাছে ক্রমাগত আক্রমণ চালায়। ৪৯ মিনিটে জাকারের শট গোলরক্ষক কোবেলের আঙুল ছুঁয়ে কর্নারে পরিণত হয়। ৬০ মিনিটে দুই দলই বেশ কিছু খেলোয়াড় বদলে মাঠে নামে। সুইসদের হয়ে জোহান মানজাম্বি এবং কাতারের হয়ে হাসান আল হাইদোস মাঠে যোগ দেন।
৭৫ মিনিটে রুবেন ভারগাস এবং এম্বোলো পরপর দুটি সুযোগ নষ্ট করে। কিন্তু এই ক্ষুদ্র পরিবর্তনে সুইজারল্যান্ডের বেশ কিছু বিপদ এড়ানো যায়। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে চতুর্থ অফিশিয়াল ঘোষণা করে ছয় মিনিটের অতিরিক্ত সময়।
বাঁ দিক থেকে আক্রমণ করে বোয়ালেম খুখি কোবেলকে পরাজিত করে। ম্যাচ যখন দ্বিতীয় অর্ধে শেষ হয়, তখন কাতার নিজেকে ঐতিহাসিক ড্রয়ের পরিণতি দিয়ে স্তব্ধ করে দেয়। এর আগে গত বিশ্বকাপে কাতার তিনটি ম্যাচে একটিতেও জয়ের সুযোগ পেয়নি।
