Bangladesh

ফুলবাড়ীতে স্বামীর শাবলের আঘাতে স্ত্রী নিহত, অভিযুক্ত আটক

ফুলবাড়ীতে স্বামীর শাবলে স্ত্রী নিহত, আটক করা হয় অভিযুক্তকে

ফ লব ড় ত স ব ম – ফুলবাড়ীতে স্বামীর শাবলে স্ত্রী নিহত হওয়ার ঘটনায় সামগ্রিক চাপ জাগিয়েছে পরিবার এবং স্থানীয় মানুষের মধ্যে। ঘটনাটি দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌর শহরের বুন্দিপাড়া এলাকায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পৌনে ৪টার দিকে ঘটে। এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানায় তদন্না চালানো হয়েছে এবং অভিযুক্ত মানিক হোসেন আটক করা হয়েছে। পুলিশ বরাবর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছে।

বিবাদের পটভূমি

নিহত কুলসুম আক্তার মিমি (৩০) ছিলেন মৃত আব্দুল কাশেমের মেয়ে। তিনি বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করেন। পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে আঘাতপ্রাপ্ত হত্যার আবেগ জাগছিল। তাঁদের তিন ছেলে রয়েছে, যারা এ ঘটনার সামনে দাঁড়িয়ে মানুষের মনে ভয় জাগিয়েছে।

আমাদের চোখের সামনে মাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

নিহতের বড় ছেলে আলা-আমিন এ বিষয়ে বলেন, আঘাতের সাথে সাথে তার মাকে মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে তীব্র তুর্কী ছিল। এ ঘটনার জন্য সম্পূর্ণ কারণ খুঁজে বার্তা বার্তার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে চায় পুলিশ।

মৃতদেহ উদ্ধার ও ময়নাতদন্ত

ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শাহ বলেন, ঘটনার পর শ্বশুরবাড়িতে আঘাত করা হয়েছিল স্বামীর শাবলে। মৃতদেহ উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা মেহেরুন নেছা ফুলবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

এ ঘটনার বিস্তারিত তদন্না চলছে। বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী অভিযুক্ত মানিক হোসেন পূর্ব গৌরীপাড়া গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে। তিনি ফুলবাড়ীতে স্বামীর শাবলে মারপিট করে স্ত্রীকে মৃত্যু হাসিল করেন। সন্তানদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে এবং অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। ফুলবাড়ী থানায় মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় এবং অভিযুক্তকে স্থানীয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়।

নিহত কুলসুম আক্তার মিমির সাথে সম্পর্কে বিবাদের মাঝে কোনও মধ্যস্তার চেষ্টা হয়নি। ফুলবাড়ীতে স্বামীর শাবলে তীব্র বিতর্ক চলছিল। এ বিষয়ে গৃহবধূ ছিলেন একটি মানুষ যার মৃত্যু ঘটেছে। আঘাতের সময় স্থানীয় লোকজন পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তিনি বলেন, সাথে সাথে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে আসা হয়।

ফুলবাড়ী থানার তদন্নার প্রক্রিয়া চলছে। মৃত কুলসুম আক্তার মিমির আঘাতের কারণ খুঁজে বার্তা বার্তার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে চায় পুলিশ। এ ঘটনায় সম্পূর্ণ পরিবার এবং স্থানীয় মানুষের মনে ভয় জাগছে। কোনও সংঘটনা ঘটার পূর্বে নিহত ব্যক্তির সাথে পরিবার এবং স্থানীয় লোকজন

Leave a Comment