হাজার কোটি টাকা বাণিজ্যের সম্ভাবনা
হ জ র ক ট ট ক – বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলায় বেচাকেনা বেশ উল্লেখযোগ্য হয়েছে। জেলা শহরের কালীতলার প্রধান বাজারে ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলছে ফল বিক্রয়। বাণিজ্যিক পাইকারেরা লিচু কিনে ট্রাকে বহন করছেন দেশের বিভিন্ন স্থানে। দিনাজপুরে লিচু চাষ কয়েক দশক ধরে স্থায়ী।
অধিকাংশ লিচুর বাগান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় এক হাজার কোটি টাকার মূল্যে বিক্রি হতে পারে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। আবহাওয়া প্রকৃতি এবং উপযোগী ফলনের কারণে লিচুর আবাদ প্রচলিত।
বিস্তারিত বিশদ তথ্য
জেলায় মোট ৫,৪৫৪ হেক্টর জমিতে বাগান রয়েছে। এ মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৭ হাজার ৫৯৩ টন। কয়েকটি জাতের লিচু বাগানের পরিমাণ নীচে দেখানো হলো:
বোম্বাই জাতের লিচু সবচেয়ে বেশি রয়েছে বলে জানা গেছে। বিশেষত বোম্বাই জাতের লিচু বেশি সংখ্যক জমি কেনা হয়েছে। পরিবহন সহ অন্য সেবার মিলিয়ে এই বাজারে আবার সম্ভাব্য বাণিজ্য হতে পারে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বা আরও পঞ্চাশ থেকে শত কোটি টাকা।
দিনাজপুর লিচু চাষ সমৃদ্ধ হয়েছে। এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় ফলন আশানুরূপ হয়েছে। সরবরাহ ভালো হওয়ায় দাম কিছুটা কমেছে।
বাজারে বিভিন্ন জাতের লিচুর মূল্য নিম্নে দেখানো হলো:
বেদানা জাতের লিচু প্রতি শতকরা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। চায়না-থ্রি জাতের লিচু আকার বিশেষ ভেদে প্রতি শতকরা ৮০০ থেকে ১,৪০০ টাকায়। মাদ্রাজি জাতের লিচু প্রতি শতকরা ২০০ থেকে ২২০ টাকা। বোম্বাই জাতের লিচু প্রতি শতকরা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা।
বাংলাদেশের লিচুর স্বাদ আলাদা। ফল দেখতে আকর্ষণীয় এবং খেতে মজাদার। দামও সবার নাগালের মধ্যে।
