পুনঃ তফসিল সুবিদার পরও বেড়েছে ৩১ হাজার কোটি টাকা
প ন তফস ল স ব ধ – খেলাপি ঋণের চাপ কমানোর জন্য ব্যাংক ঋণ পুনঃ তফসিল সুযোগ প্রদান করা হয়েছিল। সে লক্ষ্যে গত বছর সেপ্টেম্বরে ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট ছাড়া সর্বোচ্চ ১০ বছরের জন্য খেলাপি ঋণ স্থায়ী করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। পরে আরও ছাড় দিয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক নির্দেশনায় এককালীন জমার মাত্র ১ শতাংশ পরিমাণ অর্থ জমা দিয়েই ঋণ পুনঃ তফসিলকরণ সুবিধা তৈরি করা হয়। কিছুদিনের জন্য তার প্রভাবও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে এমন অনেক ঋণ পুনরায় খেলাপিতে পরিণত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চ ২০২৬ শেষে দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর শেষে এ পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৭ কোটি টাকা। ফলে এক প্রান্তিকের ব্যবধানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
একই সময়ে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকের মোট ঋণ বিতরণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশই এখন খেলাপি। অর্থাৎ ব্যাংক খাতের প্রতি তিন টাকার প্রায় এক টাকা এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
ব্যাংকার ও সংশ্লিষ্টদের মতে, পুনঃ তফসিল কোনো ঋণ আদায়ের স্থায়ী সমাধান নয়। কোনো ঋণ পুনঃ তফসিল করা হলে তা সাময়িকভাবে খেলাপির তালিকা থেকে বেরিয়ে আসে। কিন্তু গ্রাহক যদি নতুন শর্ত অনুযায়ী কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সেই ঋণ আবার খেলাপি হিসেবে ফিরে আসে।
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে এমন অনেক ঋণ পুনরায় খেলাপিতে পরিণত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া বড় ঋণগ্রহীতাদের একটি অংশ এখনো আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠতে পারেনি। বিশেষ করে বিগত বছরগুলোতে ব
