ধামইরহাটে যাত্রীছাউনি থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
ধ মইরহ ট য ত র ছ – নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার এলাকায় আবিষ্কৃত এক যুবকের মৃতদেহ পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে তুলে নেওয়া হয়েছে। সোমবার বিকেলে নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ধানতাড়া মোড়ে যাত্রীছাউনি থেকে লাশটি খুঁজে পাওয়া গেছে। আসন্ন আঞ্চলিক মহাসড়কের সামনে দীর্ঘ দিন ধরে যাত্রীছাউনির ভেতরে থাকার পরিবেশ এবং স্থানীয় মানুষের প্রতি বিশেষ করে যুবকের পরিবারের কথা আলোচনার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। পুলিশ এলাকার স্থানীয় বাসিনদের সাথে সম্পর্ক খুঁজে বার করে এবং লাশের পরিচয় নির্ধারণের জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
যুবকের অবস্থা ও ঘটনার প্রতিক্রিয়া
বার্ষিক আয়োজনের সময় যাত্রীছাউনির মধ্যে স্থানীয় মানুষ এবং আসন্ন স্থানে থাকা যুবকের মানসিক অবস্থা খুব উল্লেখযোগ্য ছিল। হাসনা হেনা বলেন, তাঁর স্ত্রী প্রতিদিন সকালে ছেলেকে মাদ্রাসায় নিয়ে যাওয়ার পথে ওই যুবককে যাত্রীছাউনির ভেতরে শুয়ে থাকতে দেখা যেত। তাঁকে খাবার দিতে চাইলেও তিনি গ্রহণ করতেন না। কোনো কথা বলতে পারতেন না। এই পরিস্থিতিতে কার্যকর সমাধানের জন্য স্থানীয় মানুষ ও বিশেষজ্ঞদের সাথে যোগাযোগ করা হয়। তার মৃত্যুর সময় এবং কারণ পরিষ্কার হয়নি। তবে কিছু সাক্ষীদের মতে ঘটনার আগে যুবকটি প্রায় ক্রোধ করে এবং তাঁর জানপাহাড়ে গুম হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিন্টু রহমান জানান, আগের দিন থেকে যাত্রীছাউনি থেকে সম্ভাব্য ঘটনা লক্ষ্য করা হয়েছিল। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনায় কোনো কারণ খুঁজে বার করতে এবং পরিচয় নির্ধারণ করতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ডিএনএ পরীক্ষার কথা ভাবা হয়েছে। স্থানীয় মানুষের মতে যুবকটি কোনো শোক বা ক্রোধে ভুগছিল যাতে সম্পূর্ণ তৃণমূল বাদ পড়ে। কিন্তু তাঁর মৃতদেহ খুঁজে পেয়া হয় বিকেলে ওই অঞ্চলে আসা সুবিধার কারণে।
পুলিশের তদন্ন ও স্থানীয় বাসিনদের বিশ্লেষণ
যাত্রীছাউনি থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ আরো খুঁজে বার করতে চায়। তারা পরিচয় নির্ধারণ করতে চায় এবং কারণ খুঁজে বার করতে চায় যাতে ঘটনার পরিস্থিতি বুঝা যায়। স্থানীয় বাসিনদের মতে ওই যুবকটি কারো সঙ্গে তীব্র বিবাদে জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু কেউ কে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারে না। এটি এখন পুলিশ কর্মকর্তারা খুঁজছেন এবং মৃতদেহ খুঁজে পেয়া হয় স্থানীয় মানুষের সাথে যোগাযোগ করার মাধ্যমে।
ধামইরহাট উপজেলার স্থানীয় বাসিনদের মতে ওই যুবকটি খুব বেশি কোনো গুরুতর পরিস্থিতিতে ছিল না। কিন্তু তাঁর মানসিক অবস্থা ক্রমে খারাপ হতে থাকে। তাঁকে কেউ কে সম্পর্কে নিয়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। সাথে সাথে পুলিশ তার পরিচয় খুঁজে বার করতে চায় এবং যাত্রীছাউনি থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের পর সেটি নির্ধারণের জন্য আরও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
বর্তমানে পুলিশ ওই যুবকটির সম্পর্কে যাত্রীছাউনির মধ্যে সামগ্রিক আয়োজনে গবেষণা চালাচ্ছে। ফিঙ্গারপ্রিন
