ক্রেতা নাই সড়কেই চামড়া ফেলে গেছেন অনেকে
ক র ত ন ই সড়ক ই – গাইবান্ধার মৌসুমি ব্যবসায়ীদের মুখে হাজার হাজার চামড়া নিয়ে সড়কে ফেলে দেয়ার কথা শুনেছেন। ঈদুল আজহার দিন চামড়ার বাজারে ক্রেতা সংকট তৈরি হয়েছে যেখানে ন্যায্য দাম পেয়া সম্ভব হয়নি। বিক্রি করতে না পেয়ে চামড়ার হাজার হাজার বোঝাই মহাসড়কে স্থানান্তরিত করে দেয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হচ্ছে সিন্ডিকেট বা বাজারের অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করেছে। গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সংকট দীর্ঘদিনের পরে আবার প্রকাশ পেয়েছে।
ঈদের দিন ক্রেতা নাই সড়কে চামড়া বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা
গাইবান্ধার চাপাদহ গ্রামে ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ী মানিক চন্দ্র রবিদাস তাঁর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। প্রতিবছর ঈদুল আজহার দিন তিনি গ্রামে গ্রামে চামড়া কেনেন এবং পলাশবাড়ী হাটে ঢাকা থেকে আসা পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন। কিন্তু এবার ক্রেতার খোঁজ না পেয়ে চামড়াগুলো সড়কে ফেলে দিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকার দ্বারা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে চামড়া কিনেছেন যে কারণে বিক্রি করতে পারছেন না।
পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ী হরিপদ দাস জানান, ঈদের দিন তিনি চামড়া বিক্রি করতে আসেন। কিন্তু স্থানীয় পাইকাররা দাম করেননি। পরদিন পলাশবাড়ী হাটে চামড়া নিয়ে আসেন। তখনও ক্রেতা পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ক্রেতা নাই সড়কেই চামড়া ফেলে গেছেন। এটি বিপাকে পড়া ব্যবসায়ীদের জন্য আরও খারাপ হয়েছে।
বাজারে দাম হ্রাস করেছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য
ঈদের দিন গাইবান্ধায় পশুর চামড়ার দাম কমে গেছে। সরকার প্রতি বর্গফুটে গরুর চামড়া ৫৫ টাকা এবং ছাগলের চামড়া ১২-১৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে দাম আরও বেশি হয়েছে। তাঁরা গ্রাম ঘুরে প্রতি বর্গফুটে গরুর চামড়া ৬০-৬৫ টাকা ও ছাগলের চামড়া ১৮-২০ টাকা দামে কিনেছেন। এ কারণে বাজারে চামড়া বিক্রি করতে আরও কঠিন হয়েছে।
পলাশবাড়ী চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির নেতা মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রতি ঈদে বুধবার পলাশবাড়ী হাট বসে। এখানে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের চামড়া বিক্রি করতে আসে। কিন্তু এবার ক্রেতার অভাবে তাঁদের চামড়া নিয়ে সড়কে বিক্রি করতে হচ্ছে। সরকার দ্বারা নির্ধারিত দামের বেশি দামে চামড়া কিনেছেন ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে সরকার মহাজনদের প্রতি আগ্রহ কমে গেছে। ক্রেতা নাই সড়কে চামড়া ফেলে
