খুমেক হাসপাতাল: পুড়ে যাওয়া তিনটি ওটি
খ ম ক হ সপ ত ল – খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) দীর্ঘদিনের মতো অপারেশন চালু হয়নি। নার্ভের অপারেশনের জন্য আগে থেকে তারিখ পেয়েছিলেন সুলতানা আক্তার নাইচ। তাঁর স্বামী সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে আসেন তিন বছরের শিশুসন্তান। অপারেশনের তারিখ ছিল ২০ মে। তবে সেদিনই অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) আগুন লাগে। সেই কারণে তাঁর অপারেশন তারিখ পরিবর্তন হয়। পাঁচ দিন পর সংস্কার শুরু হয়, কিন্তু পুরো প্রস্তুতি চলছে না। কেউ কেউ মৃত্যুঝুঁকিতেও রয়েছেন এমন ক্ষেত্রে অপারেশনের অপেক্ষায় শতাধিক রোগী অবস্থান করছেন।
গত ২০ মে সকাল ৬টার দিকে খুমেক হাসপাতালের তৃতীয় তলায় লাগা আগুন সাত জন রোগীকে আহত করে এবং একজন রোগীর মৃত্যু ঘটে। এ আগুনে ইমার্জেন্সি অপারেশন থিয়েটার পুড়ে গেছে। এই ঘটনার পর থেকে হাসপাতালে অপারেশনের সংস্কার শুরু হয়। গত শুক্রবার থেকে পুরোদমে কাজ চালু হয়, কিন্তু পুড়ে যাওয়া ওটি তিনটি পুনরায় চালু হতে আরও ২০ দিন সময় লাগবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
অপারেশন অপেক্ষায় রোগীদের অবস্থা
ব্রেন টিউমারের চিকিৎসার জন্য বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ থেকে আসা এছার জোমাদ্দারের অপারেশন তারিখ স্থগিত হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, অক্সিজেন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পোস্ট-অপারেটিভ ইউনিট কাজ করছে না। ব্যবহারের অপযোগ্য অবস্থায় রয়েছে প্রায় শতাধিক রোগী। সাতক্ষীরা থেকে আসা শহিদুল ইসলাম বলেন, অপারেশনের তারিখ দুই মাস আগে নির্ধারণ হয়েছিল। সামনে সেটি হওয়ার পর জানতে পারি যে অপারেশন হবে না। বর্তমানে তিনি এখনও অপারেশনের অপেক্ষায় রয়েছেন এবং শরীরের অবস্থা খারাপ হচ্ছে।
সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, পুরোনো অপারেশন করতে সময় নেই। রোগীদের সামনে আসতে পারছি না। বেশিরভাগ রোগীর অপারেশনের তারিখ প্রতিদিন পরিবর্তন হচ্ছে। বর্তমানে সচল একটি ওটির মধ্যে প্রতিদিন ১০-১২টি অপারেশন করা হচ্ছে। আইসিইউ থেকে ছয়টি বেড পোস্ট-অপারেটিভ হিসেবে চালানো হচ্ছে বলে অ্যানেসথেশিয়া �
