Bangladesh

রাজশাহীর গোদাগাড়ী: মাদক নির্মূল সভায় কারবারি

রাজশাহীর গোদাগাড়ী: মাদক নির্মূল সভায় কারবারি

র জশ হ র গ দ গ – রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানায় মাদক কারবারির তালিকার দুই নম্বরে নাম থাকা জাহাঙ্গীর আলম গত মঙ্গলবার গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মাদকবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সভায় অংশ গ্রহণ করেন। সেই সভায় স্থানীয় বাসিন্দারা মাদক কারবারিদের দুঃখজনক অবস্থা সম্পর্কে কটাক্ট প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে কথা বলতে গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমানের কাছে জাহাঙ্গীর আলমকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। তিনি পুনরায় মাদক কারবারে ফেরত আসেন। তাঁর বাবা নওশাদ আলী গোদাগাড়ী পৌরসভার কমিটির সভাপতি হিসেবে কাজ করছেন। সেই মাদারপুর মহল্লার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম গত মাসে মাদক কারবারের সঙ্গে পুনরায় জড়িত হন।

“দুঃখজনক হলেও সত্য, আজকে এই হলে গোদাগাড়ীর কুখ্যাত মাদক কারবারি বসে আছেন। গোদাগাড়ীর পুলিশ-প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনাদের কাছে মাদক কারবারিদের তালিকা আছে। আপনারা এর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেন, যদি এলাকা মাদকমুক্ত করতে চান।”

সভাপতিত্ব করেন পুলিশ রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক মোহাম্মদ শাহজাহান। তিনি বলেন, “আমরা চাচ্ছি মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। পাবলিকই যেন তাদের ধরে। এই যে সে সভায় এসেছে, আপনারা ধরছেন। এরপর তো কোনো ধরনের অজুহাত নিয়ে আসার সুযোগ থাকবে না। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আমরা তাকে ধরব।”

সভায় আরও জানান ডিআইজি শাহজাহান, “আমাদের কাছে তালিকা আছে। নিশ্চিত থাকেন, আমরা ১ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত কঠোর অভিযান চালাব।” তিনি যে সভায় জাহাঙ্গীর আলম অংশ নেন তা প্রমাণ করতে পারবে না বলে তাঁর বাবা নওশাদ আলী সামাজিক মাধ্যমে তার ছেলের এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে মন্তব্য করেন।

নওশাদ আলী বলেন, “এগুলো বেয়াদব। লাথি খাওয়ার কাজ করেছে। এগুলো প্রমাণ করতে পারবে?” তিনি আরও বলেন, “সেই মামলা আছে। কিন্তু আমরা কেউ মাদকের সঙ্গে জড়িত না, একেবারেই না। এগুলো সব অপপ্রচার।”

২০১০ সালের দিকে জাহাঙ্গীর আলম মাদক কারবারের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে পড়েন। তাঁর নাম পুলিশের তালিকায় দুই নম্বরে উঠে আসে। প

Leave a Comment