National

১৭ হাজার কোটির প্রকল্প ভুগছে নকশার ভুলে

১৭ হাজার কোটির প্রকল্প মূল ডিজাইনের অসুবিধায় কষ্ট বোধ করছে

১৭ হ জ র ক ট র – সাউথ এশিয়া সাবরিজিওনাল ইকোনমিক কো-অপারেশন (সাসেক) প্রকল্প দ্বারা প্রস্তুত হওয়া ঢাকা-সিলেট করিডর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি মূল ডিজাইনের ত্রুটির কারণে গুরুতর সমস্যায় আছে। প্রকল্পে নকশার অসুবিধা সহ জমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের বিলম্বের কারণে অগ্রগতি সীমিত হয়ে আসছে।

প্রকল্পের কাজে সময় ও খরচ বৃদ্ধি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে

আইএমইডি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে প্রকল্পের ভৌতিক অগ্রগতি মাত্র ২১.৫ শতাংশ হয়েছে। আর্থিক প্রগতি ২৬.১৩ শতাংশ হলেও সম্পূর্ণ কাজ করতে সময় ও খরচ বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে প্রায় ৪ হাজার ৪২১ কোটি ৬৩ লাখ ৫৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নকশা সংশোধনের কারণে প্রকল্প অগ্রসর হচ্ছে না

প্রাথমিক ভূতাত্ত্বিক জরিপের সীমাবদ্ধতার কারণে ডিএস-১ লটে কাদা এবং ডিএস-৭ লটে জৈব মাটি পাওয়া গেছে। এতে নকশা সংশোধন ও ভূমি উন্নয়ন করতে হয়েছে। প্রকল্পের ভৌতিক গতি প্রতিবেদনে একটি প্রমাণ দেখা গেছে। বিদ্যুতের লাইন স্থানান্তরের অগ্রগতি ৪৬ শতাংশ হলেও তিতাস গ্যাসের পাইপলাইন স্থানান্তর হয়েছে মাত্র ৭.৮ শতাংশ। জালালাবাদ গ্যাসের অগ্রগতি ১৫.৬৮ শতাংশ।

জমি অধিগ্রহণে অসম্পূর্ণতা রয়েছে

৮২৯ দশমিক ৮৩ একর জমি প্রয়োজন হলেও পরিদর্শনের সময় মাত্র ৩১২ দশমিক ১৫ একর বুঝে পেয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। সড়ক নির্মাণে প্রয়োজনীয় সড়কের মধ্যে মাত্র ৯১ দশমিক ২২ কিলোমিটার ঠিকাদারদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া ইউটিলিটি স্থানান্তরের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়।

আর্থিক অনিয়মের বেশির ভাগ আপত্তি নিষ্পত্তি হয়নি

আইএমইডির পরিদর্শনে প্রায় ২৪৯ কোটি ৯৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা আর্থিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরদাতার সঙ্গে চুক্তি করে অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ হয়েছে। অভ্যন্তরীণ অডিটে কাজ না করেই প্রকৌশলীদের অর্ধস্থা�

Leave a Comment