Bangladesh

বাসুদেবপুর এখন ‘নার্সারি ভিলেজ’

বাসুদেবপুর এখন ‘নার্সারি ভিলেজ’

ব স দ বপ র এখন ন – যশোর শহরের দক্ষিণে অবস্থিত বাসুদেবপুর গ্রাম এখন নার্সারি ব্যবসার জন্য বিশেষ পরিচিত। গ্রামের চারপাশে অনাবাদি ভিটেমাটি ছাড়া কিছু নেই। রাস্তার দুধারে ফুল, ফল এবং মসলার সাথে সাথে বনজ বৃক্ষ ও চারা এখানে প্রায় সব পথেই চোখে পড়ে।

বাসুদেবপুর নার্সারি কার্যকলাপে ভারী ব্যস্ত। এখানে গাছের চারা উৎপাদন ও বিক্রির জন্য বিশাল সংখ্যক ব্যবসায়ী দেশের নানা জায়গা থেকে এসে সাজান বিক্রি করেন। গ্রামে পাঁচ শতাধিক নার্সারি রয়েছে যেখানে প্রায় দেড় হাজার রকমের গাছের চারা প্রস্তুত হয়।

বাসুদেবপুরে নার্সারি ব্যবসার উৎস ছিল মোহাম্মদ আলী নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যের হাত। স্বাধীনতার আগে তিনি নার্সারি চালান শুরু করেন। এখন তাঁর ছেলেদের হাতে এটি চালু আছে। নার্সারি নাম ‘পুরাতন নার্সারি’। তাঁদের কাছে দেশি ফলের চারা বিক্রি হয় বিশেষ করে লিচু গাছের চারা।

“নিজেই চারা উৎপাদন করি, আবার অন্যদের কাছ থেকেও সংগ্রহ করে বিক্রি করি। এতে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। সিদ্ধান্ত নিয়েছি, চাকরি আর করব না।”

অন্যদিকে যশোরের আরেক সাবেক কর্মী মোশাররফ গাজী বাসুদেবপুরে গাছের চারা বিক্রি করে বিশাল লাভ অর্জন করেছেন। তিনি ৩৭ বছর আগে অন্যের জমিতে শ্রম দিতেন। পরে নিজের জমি দিয়ে চারা তৈরি ও বিক্রি শুরু করেন। বর্তমানে তিনি নিজের ১৮ বিঘা জমিতে চারা প্রস্তুত করছেন।

মোশাররফ গাজী তাঁর নার্সারি থেকে বাসুদেবপুর বাজারে দোতলা মসজিদ ও মাদ্রাসা তৈরি করেছেন। মসজিদের সামনে রাস্তার সঙ্গে সাথে একটি বিশাল চারা বিক্রি কেন্দ্র রয়েছে। সেখানে দেশি ফল এবং বিদেশি পার্সিমন, ডরিয়ান, রামভুটান, কিউই, শ্বেত চন্দন, রক্ত চন্দন সহ বিভিন্ন ফলদ ও ভেষজ গাছের চারা পাওয়া যায়।

বাসুদেবপুর নার্সারি মালিক সমিতির সভাপতি মাহাবুবুর রহমান বলেন, “গ্রামে পাঁচ শর বেশি নার্সারি রয়েছে। প্রতিবছর চারা বিক্রি থেকে বাসুদেবপুরে ১৫ কোটি টাকার বেশি আর্থিক লেনদেন হয়। বর্ষা মৌসুমে ৩৫ থেকে ৪০ ট

Leave a Comment