বিপিসির প্রধান কার্যালয়: ৫০ কোটিতে ভবন তৈরির পর কার্যালয় যাচ্ছে ঢাকায়
ব প স র প রধ ন – বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) নিজস্ব কার্যালয় নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। ভবনটি গড়ে তোলার জন্য ৫০ কোটি টাকা খরচ হয়। ঈদুল আজহার পর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে এমন সময়ে এই কার্যালয় ঢাকায় স্থানান্তরের আবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। চট্টগ্রামের সার্সন রোডের পাশে অবস্থিত নির্মিত ভবনটি বিপিসির প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হবে।
বিপিসি ভবন নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক মো. আপেল মামুন জানান, চট্টগ্রামে বিপিসির নিজস্ব ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী জরুরি নোটিশ প্রদান করেন, যাতে জনস্বার্থে বিপিসির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধান কার্যালয় ঢাকায় স্থানান্তরের আবেদন জানানো হয়।
ঢাকায় বিপিসির নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এটি জ্বালানি তেল বিতরণ এবং মজুতের কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিপিসির তথ্যমতে, চট্টগ্রামে অবস্থিত কেন্দ্রিক প্রকল্পগুলো যেমন পদমর্যাদার মো. রেজানুর রহমানের পর দেশে তীব্র জ্বালানি সংকটের সময় চেয়ারম্যান ঢাকায় আসেননি।
প্রতিবছর দেশে ৬০-৭০ লাখ টন জ্বালানি আমদানির পুরোটাই চট্টগ্রামকেন্দ্রিক। এককথায় চট্টগ্রাম জ্বালানির রাজধানী। বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় স্থানান্তরের ক্ষেত্রে হয়তো আর্থিক লেনদেনের বিষয়ও থাকতে পারে।
আমদানি করা জ্বালানি তেল খালাসের পয়েন্ট চট্টগ্রাম বন্দর। তবে সংসদ সদস্য বলেন, কার্যপ্রণালির ৭১ বিধি অনুসারে তিনি জরুরি নোটিশ প্রদান করেন। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের চিঠি পেয়ে বিপিসি সচিব শাহিনা সুলতানা ছয় বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে আরেকটি চিঠি পাঠান। কর্মকর্তারা বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে অবস্থিত হলেও ঢাকায় অবস্থান করছেন।
চেয়ারম্যান থেকে পরিচালক পর্যন্ত কর্মকর্তারা চট্টগ্রামে প্রধান কার্যালয়ে আসেন ভ্রমণে। সর্বশেষ তিনি ৬ ও ৭ মে চট্টগ্রামে আসেন। কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক ও পাঁচজন মহাব্যবস্থাপক রয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রিক ভবন নির্মাণ ও তেল পাইপলাইন প্রকল্পের গোড়াও চট্টগ্রাম।
