খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন: আহত ফায়ার ফাইটার এবং তদন্তের অপেক্ষা
স ট ম ড ক ল আগ – খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত শর্টসার্কিট থেকে হয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছেন। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, আগুন নেভাতে সাত জন ফায়ার ফাইটার আহত হন। তাদের মধ্যে দুটির হাত কেটে যায় এবং অন্যান্য জন ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে ভুগছেন।
আগুনে হাসপাতালের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে তদন্ত কমিটি গঠন হয়নি
হাসপাতালের ম্যানেজার (অ্যাডমিন) হামিদুল ইসলাম ঘটনার বিশদ বিবরণ দেন: বেসমেন্ট থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও প্রায় এক হাজার লিটার ডিজেল মজুত ছিল। এসব দাহ্য পদার্থ বিস্ফোরিত হওয়ায় ধোঁয়া ও আগুন ভবনের ১১ তলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। তিনি যোগ দেন যে, কোনো রোগী বা কর্মকর্তা আহত হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ‘তিন থেকে ছয় মাস পরপর বৈদ্যুতিক সংযোগ পরীক্ষা করা প্রয়োজন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে তা করা হয় না।’
অগ্নিকাণ্ডের পর হাসপাতালের সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র ও মালামাল স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান ফজরের আজান পর্যন্ত চলে। হাসপাতালে ভর্তি ছিল ২৫০ জন রোগী, যাদের মধ্যে অনেকেই আইসিইউ সাপোর্টে ছিল। তাদের খুলনার আদ্-দ্বীন হাসপাতাল, নার্গিস মেমোরিয়াল হাসপাতাল, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মাসুদ রানা জানান, রাত ৯টা ৩০ মিনিটে আগুন ছাড়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছেছিল। প্রথমে ১১টি এবং পরে আরও তিনটি ইউনিট যোগ দিয়ে মোট ১৪টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক বিবরণ অনুযায়ী, বেসমেন্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেখানে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও মোটরসাইকেল পার্ক করা ছিল। তিনি যোগ দেন যে, ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আসায় বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
তদন্ত কমিটি গঠন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর এক থেকে দুই দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।’ পুলিশের পক্ষ থেকে এখন সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
নকশার পার্কিং এলাকা অন্য কাজে ব্যবহার হচ্ছে
সোনাডাঙ্গা থানার এসআই নাদিম মাহমুদ জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো জিডি করেননি। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ডায়েরি তৈরি করা হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে পার্কিং সুবিধা অপর্যাপ্ত রয়
