বাজেটে শুল্ক বৃদ্ধি: বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতীয় মাছ আমদানি প্রায় বন্ধ
ব জ ট শ ল ক ব – ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মাছ আমদানির শুল্ক হার বৃদ্ধি করার ফলে বেনাপোল স্থলবন্দরে ভারত থেকে মাছ আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের মতে শুল্ক বৃদ্ধির কারণে আমদানি ব্যয় বেড়েছে এবং লোকসানের আশঙ্কায় ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাজেট ঘোষণার পরদিন থেকে কাস্টমস নতুন শুল্ক হারে আদায় শুরু করেছে।
মাছ আমদানির শুল্ক হার বৃদ্ধি করা হয়েছে যার ফলে দেশে ভারতীয় মাছের আমদানি কমে গেছে। অতিরিক্ত শুল্কের কারণে ব্যবসায়ীরা আমদানি কমিয়ে দিচ্ছেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মাছ আমদানির শুল্ক হার বৃদ্ধি করেছে যা দেশে ভারতীয় মাছের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। তাঁদের মতে শুল্ক বৃদ্ধি বাজারে মাছের দাম বাড়াতে পারে।
মাছ আমদানিকারক ব্যবসায়ী রহমত আলী জানান, দেশে ভারতীয় মাছের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও অতিরিক্ত শুল্কের কারণে আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, শুল্ক বৃদ্ধি ব্যবসা-বাণিজ্য ও রাজস্ব আদায় উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১১ মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ে পিছিয়ে রয়েছে। নতুন শুল্ক আদায়ের কারণে আমদানি কমে গেলে রাজস্ব ঘাটতি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরে শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাব বাজারে পড়েছে। এক বন্দরশ্রমিক বলেন, দুই দিন ধরে অপেক্ষা করেও মাছবোঝাই কোনো ট্রাক লোড করতে পারেনি। ট্রাকচালকদের মতে শুল্ক বৃদ্ধি পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হচ্ছে।
বেনাপোল ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, ট্রাকের চাকার সংখ্যার ওপর শুল্ক নির্ধারণের কারণে আমদানি কমেছে। বাজেটে মাছের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি ঘটানো হয়েছে যার ফলে ব্যবসায়ীরা আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন।
