Analysis

২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থান: তুরস্কে যেভাবে বদলে গেল সেনাবাহিনী ও জনগণের সম্পর্ক

২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থান: সেনাবাহিনী ও জনগণের সম্পর্কে বিপর্যয়

২০১৬ স ল র ব যর থ – ২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থান তুরস্কের আধুনিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে পরিচিত। এই সংঘটনাটি দেশের সামরিক ও বেসামরিক কর্তৃপক্ষের মধ্যে সম্পর্কের পরিবর্তন ঘটিয়েছিল এবং ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পেছনে কয়েকটি মূল কারণ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অভ্যুত্থানের সময় সামরিক বাহিনী প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সরকার থেকে কমান্ড আহরণের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ব্যর্থ হয়ে যায়। এই ঘটনার ফলে দেশের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে এবং প্রায় ২২০০ জন আহত ও ২৫০ জন নিহত হয়।

অভ্যুত্থানের কারণ এবং বাহিনীর উত্থান

২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের মূল কারণগুলি সম্পর্কে পরিচিতি দেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী এরদোয়ানের সরকারকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য একটি সংগঠিত চেষ্টা করেছিল, কিন্তু এটি ব্যর্থ হওয়ার পেছনে কয়েকটি ঘটনা কাজ করেছিল। এই অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামরিক কমান্ড ও জনগণ একযোগে প্রতিরোধ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সম্পর্কের পরিবর্তন তুরস্কের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের মূল কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

১৯৬০ সাল থেকে বিশেষ করে তুরস্কের সামরিক বাহিনী সরাসরি সরকার বিধ্বংস করেছিল। সেনাবাহিনী তখন রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে। এর পরিণতি হিসেবে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ সম্পূর্ণ বৈধ হয়ে ওঠে। সামরিক অভ্যুত্থানের ওপর বাজি ধরার জন্য বেশি আশাবাজী ছিল এবং সেটি ব্যর্থ হওয়ার পর সেনাবাহিনী নিজেদের একটি নতুন অভ্যন্তরীণ তদারকি ব্যবস্থা প্রস্তাব করে।

“সামরিক বাহিনী বেসামরিক সমাজের সম্পর্ক বদলে দিয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কোনো সংগঠিত অনুপ্রবেশ সম্ভব না হয়।” – অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল উনাল আতাবায়

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের প্রভাব এবং প্রতিক্রিয়া

২০০২ সাল থেকে জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি) সামরিক বাহিনী থেকে বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। এই সিদ্ধান্ত সামরিক ও রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের মধ্যে সম্পর্ক বদলে গেল। তুরস্কের ইতিহাসে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর সামরিক বাহিনী বেশি গুরুত্ব পায় এবং এর কমান্ড কাঠামো অপ্রতিহত হয়। এটি পরিচিত হয় হাওয়ার্ড আইসেনস্ট্যাট তুরস্ক বিশেষজ্ঞ এর সম্পর্কে কথিত হয়েছে যে সামরিক অভ্যুত্থানে আপনার অর্থ হারানোর সম্ভাবনা বেশি।

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর তুরস্কের সামরিক বাহিনী নিজেদের অবস্থান প্রতিষ্ঠা করে। সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক ও ইসমেত ইনোনু দ্বারা সম্পাদিত একটি নতুন প্রক্রিয়া দ্বারা নিজেদের কমান্ড আবারও সামাজিক প্রতিক্রিয়া ঘটিয়েছিল। তারা অনুপ্রবেশ প্রতি গুরুতর সতর্কতা প্রদর্শন করে।

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের

Leave a Comment