বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ফ্রান্সজুড়ে উত্তেজনা, গ্রেপ্তার ১৬০
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে পরাজয়ের পর ফ্রান্স জুড়ে উত্তেজনা
ব শ বক প থ ক ব – বিশ্বকাপ পরাজয়ের পর ফ্রান্স জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ফ্রান্স দলের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হওয়ার পর রাজপথে উত্তেজনার ছড়িয়ে পড়ার কথা ঘোষণা করেছে সংবাদমাধ্যম। প্যারিস ও লিওঁ সহ কয়েকটি শহরে সমর্থকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ ঘটে। উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর কয়েকটি শহরে বিশ্বকাপ পরাজয়ের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন বস্তু নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
গ্রেপ্তারদের পরিমাণ ও কারণগুলি
ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভি জানিয়েছে, শুধু প্যারিসেই ১৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে বিশ্বকাপ সমাপনের পর লিওঁ ও অন্যান্য শহরগুলিতে পরিসংখ্যান অনুযায়ী আরও প্রায় ১৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সদস্য ও জরুরি সেবাকর্মীদের লক্ষ্য করে আতশবাজি নিক্ষেপের কারণে অভিযানের পরিসর বিস্তার করা হয়।
বিশ্বকাপ দল ফ্রান্সের পরিচয় দেয় নিরাপত্তা বাহিনী ও সমর্থকদের মধ্যে মূলত আতশবাজি নিক্ষেপ ও অপরাধ বৃদ্ধির কারণে উত্তেজনার পরিসর বৃদ্ধি পায়। প্রায় ২০ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট সিআরএস এর সহায়তার প্রয়োজন হয়। লিওঁর প্লাস বেল চত্বরে বড় পর্দায় শত শত সমর্থক ম্যাচটি উপভোগ করেন। শেষ বাঁশি বাজার পরও সেখানে কিছু লোকজন অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে ছোট ছোট কয়েকটি দল নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন বস্তু নিক্ষেপ শুরু করে।
বিশ্বকাপ পরাজয়ের পর সমর্থকদের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া থেকে বেশি বিপাক দেখা যায়। কয়েকটি শহরে প্রায় দুই হাজার লোকজন স্পষ্ট ভাবে পুলিশ বাহিনীর প্রতি আক্রমণ করে। পুরো অভিযানজুড়ে কোথাও গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। তবে বিশ্বকাপ সমাপনের পর অপরাধের সংখ্যা বেড়েছে। লিওঁর প্লাস বেল চত্বরে অবস্থানকারী কয়েকজন বিশ্বকাপ পরাজয়ের প্রতিক্রিয়া দিয়ে পরিচিত হয়।
বিশ্বকাপ পরাজয়ের সামাজিক প্রতিক্রিয়া
ফ্রান্সে বিশ্বকাপ পরাজয়ের পর সমর্থকদের স্বাভাবিক ভাবে উত্তেজনা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরিসংখ্যান অনুযায়ী উত্তেজনার ঘটনা এতটাই বিস্তার পায় যে বিশ্বকাপ পরাজয় সম্পর্কে নিয়ে সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার করা হয়। একপর্যায়ে বিশ্বকাপ সমাপনের পর দুই বিশ্বকাপ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দেয়া হয় যে পরিস্থিতি কিছু দিনের জন্য নিয়ন্ত্রণে থাকে।
বিশ্বকাপ সমাপনের পর উত্তেজনা শুরু হয় যখন ফ্রান্স দলের কোনো খেলোয়াড় ও কোচ আহত হন। বিশ্বকাপ পরাজয়ের পর প্রায় চার হা�
