দিল্লি বৈঠক: চীন-ভারত সম্পর্কের স্থিতি পুনরুদ্ধার
দ ল ল ত পরর ষ ট – দিল্লির কূটনৈতিক বৈঠকে চীন ও ভারতের সম্পর্ক আবার স্থিতির পথে এগিয়েছে। গতকাল ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলন বৈঠক দুই দেশের সীমান্ত এলাকাগুলোতে শান্তি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের প্রতিপক্ষ বিষয়ে স্পষ্ট মতামত
বৈঠকে ওয়াং ইয়ে ভারত ও চীনের সম্পর্কের দৃঢ় সংকল্প ঘোষণা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে দুই দেশ পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং সহযোগী ও অংশীদার। এই দৃঢ় নীতি বৈশ্বিক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে গণ্য হয়।
“এই সম্মেলনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা পুনরায় চালু হয়েছে। সীমান্ত এলাকাগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হারিয়ে পরস্পরের সামগ্রিক শান্তির দিকে গতি পাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ অর্জনকে সাবধানে রক্ষা করা দরকার,” ওয়াং ইয়ে বলেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ধারণা
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৈঠকটিকে স্থায়ি সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া হিসেবে গ্রহণ করে। বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক দিল্লির মধ্যে চীন ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য বৈঠকে প্রস্তাব গৃহীত হয়। ভারত এবং চীনের সংখ্যার স্বার্থ রক্ষার দিকে গতি পেয়েছে, যাতে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়।
ব্রিকস সম্মেলনের প্রস্তুতি হিসেবে সম্মিলিত প্রচেষ্টা
বৈঠকে ভারত ও চীনের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা সম্পর্কে আলোচনা হয়। ব্রিকস সম্মেলনের প্রস্তুতি হিসেবে এই বৈঠক চীন ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈশ্বিক সম্পর্কের গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছে। তিনি আরও জানান যে ভারত এবং চীন এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ দুই উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে অবস্থিত।
চীন ও ভারতের সম্পর্ক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ে আরও উল্লেখ করেন যে সম্মেলনে বৈশ্বি�
