ট্রাম্প–সি বৈঠক: ভূরাজনৈতি এড়িয়ে বাণিজ্যিক স্বার্থে প্রাধান্য
ট র ম প স ব ঠক – যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক ঘিরে কিছু মাস আগে যে অস্থিরতা ও বিরোধ ছিল, তার পর থেকে দুই দেশ বাণিজ্যিক স্বার্থ বিষয়ে বেশি জোর দিয়ে কাজ করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের মতে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের পর থেকে এমন আভাস আরও স্পষ্ট হয়েছে।
বৈঠকের প্রকৃতি এবং অংশগ্রহণ
গত সপ্তাহে বেইজিংয়ে প্রবেশ করেন ট্রাম্প। তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সফরে অংশ গ্রহণ করেন যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য করপোরেট ব্যবসায়ীরা। তাঁদের মধ্যে ছিল অ্যাপল, এনভিডিয়া, ব্ল্যাকরক, টেসলা এবং গোল্ডম্যান স্যাচের প্রধানদের মধ্যে।
দুই নেতা ছয় মাসের কিছু বেশি সময় আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় এক বহুপক্ষীয় সম্মেলনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধ এক বছরের জন্য স্থগিত রাখতে সম্মত হন।
ট্রাম্পের ভাষায় স্থিতি ও সহযোগিতা
ট্রাম্পের মতে দুই দেশের সম্পর্ক বাস্তববাদী ভাবে নতুন করে গঠন করা যেতে পারে। তিনি চীনের নেতার প্রশংসা করেন বলে প্রকাশ করেন, “আপনার সঙ্গে থাকতে পারা সম্মানের ব্যাপারটি আপনার বন্ধু হতে পারাও সম্মানের।”
গতকাল বৃহস্পতিবার সিকে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনার সঙ্গে থাকতে পারা সম্মানের, আপনার বন্ধু হতে পারাও সম্মানের। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো হতে যাচ্ছে।’
হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে দুই নেতা বাণিজ্য সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি খাতে আলোচনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং শিল্প খাতে চীনা বিনিয়োগ নিয়ে কথা বলা।
তবে এ বিবৃতিতে চীনের রেয়ার আর্থ বা বিরল খনিজের বিষয়ে কোনো উল্লেখ ছিল না। প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা খাতে বাজার প্রায় পুরোপুরি চীনের নিয়ন্ত্রণে।
সম্পর্ক বিভক্তি ও সংযত ভাষা
তুলনামূলক সংযত ভাষায় কথা বললেও সি চিনপিং দুই দেশের নতুন কাঠামো গঠনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। বিশ্লেষক উইলিয়াম ইয়াং বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলছে যে তিনি ভূরাজনৈতিক বিরোধ দূর করে দুই দেশ সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে চাইবেন।
বৈঠকে সি চিনপিং ট্রাম্পকে বলেন যে তাইওয়ান প্রশ্নটি দুই দেশের সম্পর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তা ভুলভাবে সামলানো হলে সামরিক দ্বন্দ্ব ঘটতে পারে। এছাড়াও তাইওয়ানের রাজনৈতিক অবস
