মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ভারতে সফরে কেন এসেছেন
প রথম ব দ শ সফর ক – মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং গত পাঁচ দিনের মধ্যে ভারতে সফর করেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এই আলোচনায় বাণিজ্য সম্পর্ক, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সহ বিভিন্ন মূল্যবান বিষয় আলোচিত হয়। বিশেষ করে বর্তমান সরকারের প্রভাব ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রসঙ্গ উঠে আসে।
প্রেসিডেন্ট হ্লাইং গত বছরের এপ্রিলে নির্বাচিত হওয়ার পর এটি তাঁর প্রথম বিদেশ ভ্রমণ। আঞ্চলিক মহল এবং আন্তর্জাতিক আলোচনার প্রতি এই সফর বিশেষ গুরুত্ব অর্পণ করে। বিবিসির এক প্রতিবেদন উল্লেখ করে যে ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরক্ষা পরিস্থিতিকে স্বাধীন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রভাব পড়ে।
বিশেষ করে মিয়ানমারের শিন জনগোষ্ঠীর বহু মানুষ ভারতের মিজোরাম ও মণিপুরে আশ্রয় গ্রহণ করে। এ অবস্থায় দুই দেশের সীমান্ত স্থিতিশীলতা ভারতের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর রাজনৈতিক শক্তি ক্ষমতা দখল করেন। এর ফলে গৃহযুদ্ধ ও সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন বৃদ্ধি পায়। শতাহাজার মানুষ নিহত এবং লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।
২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সামরিক সমর্থিত রাজনৈতিক শক্তি বিপুল জয় লাভ করে। বিরোধী দলগুলোর অনেক কেন্দ্র নির্বাচনে অংশ নেয় না। সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ভোটগ্রহণ সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় সামরিক সমর্থকদের প্রাধান্য থাকা পার্লামেন্ট হ্লাইংকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে।
ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্র জানান, মোদি ও মিন অং হ্লাইংয়ের আলোচনায় মিয়ানমারের রাজনৈতিক অবস্থা, গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ এবং গৃহবন্দী অং সান সু চির বিষয়ও উঠে এসেছে। ভারত মিয়ানমারে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সব পক্ষের অন্তর্ভুক্তি প্রতি অবস্থান নিয়েছে।
দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে—কোনো পক্ষই তাদের ভূখণ্ডকে অপর দেশের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেবে না। মিন অং হ্লাইং ভারতের নিরাপত্তা স্বার্থের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আশ্বাস দিয�
