Analysis

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য চুক্তিতে কী থাকছে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শান্তির পথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চুক্তি কাছাকাছি পৌঁছেছে

য ক তর ষ ট র ইর – দুই দেশের সম্পর্ক একটি সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। কিন্তু সামরিক স্থায়ী শান্তির জন্য এই চুক্তির সব শর্ত এখনো নির্ধারিত হয়নি। এই প্রসঙ্গে প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক সমঝোতার কাজ অব্যাহত রয়েছে যা দ্বিপক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে চলছে। চুক্তি বাস্তবায়নের পরে যুদ্ধের বিরতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাণিজ্য সম্পর্কে আরও নির্দেশনা রয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য চুক্তিতে সম্মিলিতভাবে কী বিষয় নেওয়া হবে তা প্রকাশ করেছে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির সম্পর্কে অনেকটা নিশ্চিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চুক্তি প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা চলছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘সামরিক প্রণালি পুনরায় চালু করার আগে যুক্তরাষ্ট্র কোনো চুক্তিতে তাড়াহুড়ো করবে না।’

নৌপথ খুলার বিষয়ে বিভিন্ন মতামত

তেহরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি সম্পর্কে ইরান এবং ওমান সহ অন্যান্য উপকূলীয় দেশগুলোর সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে। এই বিষয়ে ইরান জানিয়েছে যে তারা সম্পত্তি বন্ধ করার বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি দিয়েছে না।

‘আলোচনার শুরুতেই অবরুদ্ধ সম্পদ ছাড়ের বিষয়টি পরিষ্কার হতে হবে,’ বলেন ইসমাইল বাঘাই।

আগের মার্কিন সংবাদমাধ্যমের পরিবর্তে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার প্রস্তাবে অব্যাহত থাকা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রণালিটি স্বাভাবিক করার পর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে বিতর্ক

চুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ইরানের পারমাণবিক প্রস্তুতি। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানকে উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম মজুত করতে হবে এবং বর্তমান কর্মসূচি চালিয়ে যেতে হবে না। কিন্তু ইরান জানিয়েছে যে যুদ্ধের বিরতির সমঝোতার পর এই বিষয়ে আরও আলোচনা চলবে।

‘বর্তমান খসড়ায় ইরান তাদের পারমাণবিক স্থাপনা বন্ধ করার বিষয়টি পরিষ্কার হতে হবে,’ ইরানের একটি সূত্র বলে।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক সংকটে রয়েছে ইরান বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা কয়েক বিলিয়ন ডলার সম্পদ ছাড়ের দাবি জানিয়েছে। যুদ্ধবিরতির সাথে সাথে অতিরিক্ত আয় পাওয়ার জন্য শুধু তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে �

Leave a Comment