মার্কিন হামলায় ভারতীয় নাবিক নিহতের পর ট্রাম্প-মোদি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠছে
ম র ক ন হ মল য় – মার্কিন হামলায় ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যু ঘটার পর অনেক প্রশ্ন উঠছে ট্রাম্প ও মোদির মধ্যে সম্পর্কের প্রতি ক্ষমতা বিতরণ নিয়ে। গত সপ্তাহে ওমান উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন দূতাবাসের অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান জেসন মিক্সকে দুইবার তলব করে প্রতিবাদ জানায়।
ট্রাম্প-মোদি সম্পর্কে বিশ্লেষণ বাড়ছে
গত সপ্তাহে ঘটে যাওয়া মার্কিন হামলাকে দুঃখ প্রকাশ করে ভারতের মন্ত্রিসভা কিছু ক্ষমতা প্রতিক্রিয়া চাইছে। এটি বুঝিয়ে দিয়েছে যে ভারতীয় সরকার সবসময় মার্কিন সামরিক ক্রিয়া প্রতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কীভাবে হামলার জন্য দুর্বল হয়েছে তা সম্পর্কে আলোচনা তীব্র হচ্ছে।
প্রতিবাদের জবাবে রুবিও মার্কিন হামলাকে সম্পূর্ণ বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, আমেরিকার স্বার্থের ও আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের সুরক্ষার জন্য এই ধরনের পদক্ষেপ আগে থেকেই নির্দেশিত হয়েছিল।
মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দুঃখপ্রকাশ বা ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা বন্ধ করার আশ্বাস দেওয়া হয়নি। এটি বুঝিয়ে দিয়েছে যে ওয়াশিংটনের আধিপত্যবাদী ধারণা ও নয়াদিল্লির উদ্বেগ কীভাবে প্রতিক্রিয়া পায় না। বছরের পর বছর ধরে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমান মর্যাদার ব্যবস্থা বা কৌশলগত অংশীদারত্বের বুলি আওড়ানো হয়েছিল, কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডে সেটি মার্কিন একতরফা ব্লকেডের পর মুখ থুবড়ে পড়েছে।
মার্কিন হামলায় ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যুর পর মোদি সরকার সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নাম ধরে নিন্দা জানাতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করেছে। এটি বুঝিয়ে দিয়েছে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের রক্ষা করবে কিনা তা অপরাধী দেশের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের
