দুই ম্যাচ নিষিদ্ধের ঘটনায় ফিফার ওপর ক্ষুব্ধ ইংল্যান্ড
দ ই ম য চ ন ষ জারি হওয়ার পর থেকে ইংল্যান্ড ফিফার নিয়ম অনুযায়ী ডিসিপ্লিনারি কমিটির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ রয়েছে। এ বিশ্বকাপে কোনও গোল করে উদযাপন করার কিছুক্ষণ পরে তা বাতিল করা হয়েছে, যার ফলে খেলোয়াড়দের প্রতি দুর্বলতা অনুভূত হচ্ছে। কখনো কখনো নিষেধাজ্ঞায় থাকা খেলোয়াড় মাঠে নামার সুযোগ পায়। এমন ঘটনায় ইংল্যান্ডের অনেক দুর্দশা ঘটেছে এবং এটি প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সমস্যা সৃষ্টি করেছে।
সংঘটিত ঘটনার বিস্তারিত বিশ্লেষণ
৬ জুলাইয়ের মেক্সিকো বিপক্ষে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড একটি গোল করে উদযাপন করেছিল। কিন্তু পরে ফিফার নির্ধারিত বিশেষ নিয়মের ভিত্তিতে তা বাতিল করা হয়েছে। ফিফার নির্দেশে কোয়ানসার দ্বারা লাল কার্ড পেয়েছিলেন মেক্সিকোর ডিফেন্ডার হেসুস গায়ার্দো। তবে ডিসিপ্লিনারি কমিটি তাঁকে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে। ইংল্যান্ডের কোচ টুখেল এ বিষয়ে কমেন্ট করেন, “ফিফার সিদ্ধান্ত কোথায় থেকে শুরু হয়েছে এবং কোথায় শেষ হবে? আমরা এটি কীভাবে পরিচালনা করতে পারব কিনা সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে।”
“ফিফার নিয়ম অনুযায়ী আমি দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ খেলোয়াড় দেখেছি। এটি তার জন্য এবং আমাদের জন্য সত্যিই বিপদ। এখন আমাদের নিজেদের খেলায় মনোযোগ দিতে হবে এবং সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।” – ইংলিশ খেলোয়াড় বুকায়ো সাকা বলেন।
নরওয়ে বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে কোয়ানসা খেলতে পারছেন না। দুই ম্যাচ নিষিদ্ধের ঘটনা তাদের কৌশল এবং খেলোয়াড়দের মনোযোগ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ফিফার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মূল্যায়ন করতে হবে।
ফিফার নিয়ম ও আপত্তি বৃদ্ধি
দ ই ম য চ ন প্রসঙ্গে ইংল্যান্ড সংগঠিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ। বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচে ডিসিপ্লিনারি কমিটি সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর খেলোয়াড়দের সংখ্যা কমে যাওয়া স্বাভাবিক হয়েছে। এমন ঘটনার ফলে ইংল্যান্ড তাদের সংগ্রামে এক বিপদ ছাড়া নয় দুই বিপদ সম্মুখীন হয়েছে। কোয়ানসার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত বিশেষ আপত্তিকর মনে হচ্ছে।
ফিফার আদেশ অনুযায়ী নিষিদ্ধ ম্যাচের সংখ্যা দুই ম্যাচে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার কোয়ানসার বিষয়ে বিতর্ক চলছে। তিনি এ বিশ্বকাপে আরও প্রাসঙ্গিক কাজ করতে পারেন না। সাকার মতে, এ ব্যাপারে ফিফার কোনো সমস্যা নেই কিন্তু এটি খেলোয়াড়দের প্রতি বিশ্বাস কমাচ্ছে।
তার পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া এবং প্রতিবেদন
দ ই ম য চ ন ঘটনার পর থেকে ইংল্যান্ড তাদের জয়ের স্বাক্ষর করতে পারেন না। সে বিশ্বকাপে একটি গোল করে উদযাপন করেছিলেন �
