ভারত ৫ মাস কারাভোগের পর বাংলাদেশি জেলেরা ফিরছেন স্বদেশে
ভ রত ৫ ম স ক র – বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ মাস বন্দিদশার পর দুই দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক আইনি অ্যাকাউন্ট পূরণের পর চারটি মাছ ধরার ট্রলার সহ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের ফিরে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শনিবার ভারতের ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্যবন্দর থেকে স্বদেশের প্রতি পদক্ষেপ নিয়ে নৌ সেনার সাথে যুক্ত ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ড তাদের নিয়ে রওনা দেয়। এ প্রক্রিয়ায় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধি, ভারতীয় কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তারা এবং ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা। তাদের হাতে হস্তান্তর করার পর এখন স্বদেশে আসার জন্য বন্দরে পরিচালনা চালু হয়েছে।
অপরাধে আটক হওয়ার প্রক্রিয়া
প্রায় পাঁচ মাসের আগে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করে চারটি ট্রলার ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করে। এ প্রক্রিয়ায় ভারতীয় উপকূল রক্ষীবাহিনী জেলেদের আটক করে এবং সেগুলো নিয়ে ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানায় হস্তান্তর করে। পরবর্তী দিনগুলোতে আইনি প্রক্রিয়া ও আদালতের নির্দেশে তাঁরা ভারতীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন চার মাসের বেশি সময়। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ভারতীয় দলের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা ও সম্মান প্রদানের পর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশে ফিরে আসার অপেক্ষা
আটক হওয়া ৯১ জন মৎস্যজীবীর মধ্যে অধিকাংশের বাড়ি কুতুবদিয়া উপজেলায়। এদের বন্দিদশার সময় তাঁদের পরিবার ও পরিজন প্রায় সব সময় দুঃখে ভূগোল করে থাকে। বিশেষ করে এই সময় বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের ভারতে সাধারণত কারাভোগের বিষয়ে একটি স্থায়ী অ্যাকাউন্ট না হওয়া পর্যন্ত আটক হওয়া বিষয়ে চিন্তা ছিল। তবে এখন ভারতীয় কোস্ট গার্ড সাথে সম্মুখো মুখো করে এই জেলেদের আনতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তাদের বাড়িতে উপস্থিত স্বজনদের মধ্যে অনুপ্রেরণা ও বিশ্বাসের বাতাবির বিস্তার করেছে এই নির্ণয়।
এই বিষয়টি সম্পর্কে জানার জন্য বাংলাদেশের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের প্রকাশ প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে। বিশেষজ্ঞ সূত্রে জানানো হয় যে জলসীমা অতিক্রম করার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে কেন্দ্রীয় আইনি অনুমোদন প্রাপ্ত হয়েছে। ভারতীয় কোস্ট গার্ড ও বাংলাদেশ পুলিশের সম্মুখো মুখো করে এই জেলেদের আনতে একটি সম্মানজনক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে ফিরে আসার পর তাঁদের দেশে বাড়িতে আবার প্রতিক্রিয়া চালু করা হবে।
সংগ্রাম ও আনন্দ দুই মুখে
বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের ভারত থেকে আনা বিষয়টি অনেকের জন্য স্বাধীনতা ও বিশ্বাসের স্বাদ বহন করে। এখন তাদের দেশে ফিরে
