ফরিদপুরে ঈদের উপলক্ষে সহিংসতা বেড়েছে
ফর দপ র ২ ন র সহ – ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী, ভাঙ্গা, সালথা ও সদরপুর উপজেলায় ঈদের দিনে সহিংসতার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিন দিনে পারিবারিক বিরোধ ও জমি নিয়ে সংঘর্ষে দুই নারীসহ তিন ব্যক্তি হত্যা হয়েছেন। অপর দিকে বেড়া গ্রামে তুচ্ছ ঘটনার কারণে প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
সদরপুরে খুন ও আহতের ঘটনা
গত বুধবার সকাল থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সদরপুর উপজেলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার বিকেলে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পরিবারের সদস্যদের অভিযুক্ত করা হয়েছে বাড়িতে ফুলগাছ রোপণের বিষয়ে বিরোধ ঘটায়। আহত সিরাজুল ইসলামকে শহরের হার্ট ফাউন্ডেশনে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল আল মামুন শাহ বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিবারের কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে বোয়ালমারীতে জমি নিয়ে বিরোধে নিহত ফিরোজা বেগম ও ওজেদ মোল্যার মেয়ে হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আদালতের রায় অমান্য করে টুলু মিয়া পরিবার জমি দখল করে। ওই জমিতে গত বুধবার শৌচাগার নির্মাণের কারণে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা হয়।
বোয়ালমারী থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এই ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলফাডাঙ্গায় ছেলে হাসান শেখের কোদালের কোপে ফুলজান বেগম (৬০) নারী নিহত হন। তিনি পণ্ডিত বানা গ্রামে হাফিজার শেখের স্ত্রী ছিলেন। ঘটনার দিন সকালে তিনি ফুলগাছ রোপণের জন্য ঘরের সামনে আসেন। মা-ছেলের মধ্যে কথাবার্তা চালানোর পর তাঁকে কোপ দেওয়া হয়।
আলফাডাঙ্গা থানার ওসি ফকির তাইজুর রহমান বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ভাঙ্গায় ফেসবুকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের অনিয়ম নিয়ে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে উভয় পক্ষে প্রায় ২৫ জন আহত হন। এই সংঘর্ষ প্রায় দুই ঘণ্টা ব্যাপী চলে।
সালথায় বসতঘরের ওপর গাছ পড়ার কারণে দুই পরিবারের মধ্যে আহতের ঘটনা ঘটে। ঝড়ে মুন্নু মোল্যার একটি বড় গাছ তুহিন মোল্যার ঘরে পড়ে। তিনি ঘরটি মেরামত করে দেন বলে জানা গেছে। কিন্তু বৃষ্টির পানি পড়ে তুহিন মোল্যার সংরক্ষিত পেঁয়াজ ভিজে যায়।
