বাংলাদেশ সীমান্তে ভিড় করছেন ভারত ডিটেনশন সেন্টারে আটক হওয়ার ভয়ে অভিবাসীরা
ভ রত ড ট নশন স ন – ভারত ডিটেনশন সেন্টারে আটক হওয়ার আশংকা থেকে বাংলাদেশ সীমান্তে বৃহত্তম সংখ্যক অভিবাসী যোগদান করছেন। পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অভিবাসীদের প্রতি উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিজেপি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হিন্দুত্ববাদী সরকার আটক কেন্দ্র গঠনের মাধ্যমে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠিন কার্যক্রম প্রস্তুত করছে। হাকিমপুর সীমান্তচৌকিতে দুই দিন ধরে বিশেষ জায়গায় আটক হওয়ার ভয়ে পরিবার নিয়ে অপেক্ষা করছে অনেকে। বাংলাদেশে প্রবেশ করলে ভারত ডিটেনশন সেন্টারে আটক করা হবে এবং বাদ দেওয়া হবে এ ভয় আটকে অভিবাসীদের মাঝে বিস্তার লাভ করেছে।
রাজ্য সরকারের নীতি ও প্রতিক্রিয়া
পশ্চিমবঙ্গ সরকার গত সপ্তাহে একটি আটক কেন্দ্র গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে যার মাধ্যমে নথিপত্রবিহীন অভিবাসীদের পরিচয় তদন্ন করা হবে। হাকিমপুর সীমান্তে নথিপত্রের যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সুব্রত সাহা বলেন, “আমরা গত মঙ্গলবার থেকে এখানে দল বেঁধে আসছি। অভিবাসীদের প্রমাণ দেখানো না হলে ভারত ডিটেনশন সেন্টারে তাদের প্রবেশ ঘটিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হবে।”
অভিবাসীদের আতঙ্ক ও উদ্বেগ
“আমাদের তাড়াতাড়ি চলে যেতে হবে, তা না হলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে। আমি সর্বোপরি কাজের সন্ধানে এখানে এসেছিলাম, কিন্তু এখন আমাকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভারত ডিটেনশন সেন্টারে গেলে আমার বাংলাদেশি হওয়া প্রমাণ করতে হবে,” বলেন ২০ বছর বয়সী যুবক আব্দুল শেখ।
সীমান্তে চলতি মাসে প্রতিদিন বিএসএফ কর্মকর্তারা তাড়াতাড়ি পরিচয় তদন্ন করতে বলছেন। সাম্প্রতিক মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতা অর্জনের পর থেকে ভারত ডিটেনশন সেন্টারে প্রবেশের সম্ভাবনা বাড়িয়েছে কিছু নীতিগুলো। মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানাচ্ছে যে বাংলাদেশে বিএসএফ দ্বারা জোরপূর্বক তদন্ন করা হচ্ছে ভারত ডিটেনশন সেন্টারে প্রবেশ করা একটি গুরুতর ধরনের উদ্বেগ উদ্ভূত হয়েছে।
ভারত সীমান্তে তাড়াতাড়ি পরিচয় পরীক্ষা
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে চলতি মাসে রাতের অন্ধকারে সেখানে প্রবেশ করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিএসএফ কর্মকর্তারা জানাচ্ছে যে হাকিমপুর স�
