Sports

সেই হ্যারি কেইনেই উদ্ধার ইংল্যান্ড

সেই হ্যারি কেইনেই উদ্ধার ইংল্যান্ড

বিশ্বকাপের সমাপনী ম্যাচে তিনি কৌশলী খেলোয়াড়দের সামনে বিপদ কাটিয়ে দেখায় নতুন ভারত

স ই হ য র ক ইন – আজ ফুটবল আবেগের এক অদ্ভুত গোল কাহিনী প্রকাশ পেল। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পা রেখেছে সেই বিপর্যয়ের মুখে কঙ্গোর মুখোমুখি হয়ে জয়ের পথে গোল করেছে হ্যারি কেইন। আটলান্টা স্টেডিয়ামে ২–১ গোলে বিজয় পেয়েছে তারা।

প্রথমার্ধে ইংলিশদের কোনও গোল করতে বাধ্য করেছিল না কঙ্গো। মাত্র ৭ মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গার অত্যন্ত সুন্দর গোলে কঙ্গো এগিয়ে যায়। এরপর ইংল্যান্ডের রক্ষণ ও মাঝমাঠ পুরোপুরি শূন্য পায়। প্রথম অর্ধেকে যেন স্বপ্ন ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছিল কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি।

বিরতির পর টমাস টুখেল কৌশলে পরিবর্তন করেন। বুকায়ো সাকা ও অ্যান্থনি গর্ডনকে মাঠে নামানো হয়। সমর্থকদের দৃষ্টি সর্বাধিক আকর্ষিত হয় অধিনায়ক হ্যারি কেইনের দিকে। তিনি যেন জানতেন যে এই ঘোর দুর্দশায় কেবল তিনিই দলকে উদ্ধার করতে পারেন।

দ্বিতীয়ার্ধের ৭৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের ক্রস থেকে কেইন হেডে গোল করে ম্যাচকে সমতায় ফিরিয়ে আনেন। সেই গোল ইংল্যান্ডকে নতুন উৎসাহে ভরে দেয়। আটলান্টার রাত সাক্ষী হয়ে রইল হ্যারি কেইনের বীরত্বগাথার।

বলটি যখন জালের ওপরের কোণা দিয়ে ভেতরে ঢুকল, তখন আটলান্টায় যেন গগনবিদারি শুরু হয়।

৮৬ মিনিটে কেইন বক্সের ঠিক বাইরে বল পান। সেখান থেকে তিনি বিদ্যুৎ গতিতে ডি-বক্সের ডান প্রান্তে পৌঁছে নিখুঁত শটে কঙ্গোর জাল কাঁপান। এই গোলে তিনি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্যার জিওফ হার্স্টের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেন। এখন তাঁর নাম সেই রেকর্ডের পরে গ্যারি লিনেকার (৬ গোল) ছাড়া অন্য কেউ নেই।

শেষ মুহূর্তে ইংল্যান্ড হার মানেন। কিন্তু পুরো ম্যাচে কঙ্গোর ফুটবলারদের লড়াই ছিল দেখার মতো। সেই হ্যারি কেইনেই ইংল্যান্ডকে উদ্ধার করেন মহান বীরত্বের সাথে।

Leave a Comment