Sports

লাউতারোর ‘স্বপ্নপূরণ’

লাউতারোর ‘স্বপ্নপূরণ’

ল উত র র স বপ নপ – আটলান্টার খেলার মাঠে সাইডলাইন পেরিয়ে নামার সময় আকাশ ক্ষণকালীন উৎকণ্ঠার ছায়ায় আবৃত হয়েছিল। ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ১-০ ব্যবধানে অগ্রগামী অবস্থায় ছিল এবং ফাইনালে চলে যাওয়ার স্বপ্ন কামনা করছিল। তবে রক্ষণ ভাঙার চাকরি ক্রমে জটিল হতে শুরু করে, ক্রোড়ে বিপুল ভার নিয়ে লিওনেল স্কালোনি শেষ দান দিয়েছিলেন।

সেই মুহূর্তে মাঠে নামলেন আর্জেন্টিনার পরিচিত স্পোর্টসম্যান লাউতারো। কাতার বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন নিষ্প্রভ হোক কিনা না, তাঁর ব্যক্তিগত ফলাফল ছিল তীব্র শূন্যতার সাথে। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মহোৎসবে তাঁর কাছে শুরুর একাদশে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ ছিনিয়ে নিয়েছিল শুরুতে। এই বিশ্বকাপেও তাঁর জায়গায় তেমন গোল না করতে পারার কারণে তিনি বেঞ্চে রয়ে যান।

স্বপ্ন পূরণ হল বাস্তবতা

৮৬ মিনিটে এনসো ফার্নান্দেসের গোলে সমতা ফেরার পর ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে ঝুঁকে পড়ে। ঠিক তখন ৯২ মিনিটে মঞ্চ কাঁপে লাউতারো। তাঁর হেডে আছড়ে পড়ে মাঠের শেষ গোল সম্পন্ন হয়। লিওনেল মেসির ক্রস থেকে জালে চলে গেল এই বিশাল গোল।

“বাবা যেদিন প্রথম বুট কিনে দিয়েছিলেন, সেদিন থেকেই এমন একটি গোলের স্বপ্ন দেখতাম। এই গোল আমার মায়ের জন্যও। রেসিং ক্লাবে যাওয়ার পর থেকে তিনি আজও আমার বিছানা গুছিয়ে রাখেন।”

ফুটবলে কান্না একাধিক রকমের হয়। পরাজয়ের কান্না, স্বস্তির কান্না, আর এমনও কান্না যে নিজের দীর্ঘ দিনের কৃতিত্ব জিতে দেয়। মাঠে নামলেন লাউতারো যখন চোখে স্বপ্ন নিয়ে মুখে হাসি ছিল।

“আমি এটা নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলাম। আমি আলেক্সিসকে বলেছিলাম যে একটা গোল করব। বেঞ্চে বসা ফাকু মেদিনাকেও বলেছিলাম যে আমি মাঠে নামব আর আমরাই জিতব। এবার সুযোগটা আমার ছিল। এখন মাথা কিছুটা ঠান্ডা হওয়ার পর বলতে পারছি, এই দলটা দেখিয়ে দিল তারা কী দিয়ে তৈরি।”

অত্যন্ত জটিল সময়ে তিনি ঘাম মুছতে মুছতে আরও একটি মহাকাব্যিক ম্যাচের গল্প ফুটিয়ে তুলছিলেন। সেই ম্যাচে শুরুটা করেছিলেন মূল একাদশে, কিন্তু পরে হুলিয়ান আলভারেসের কাছে তাঁর স্থান হারিয়ে যায়। কোয়ার্টার ফাইনালে পরাজিত হওয়া ছাড়াও এক নিখুঁত ক্রস দিয়ে এনসো ফার্নান্দেসের গোলের জন্য সহায়তা করেছিলেন।

লিওনেল স্কালোনি আরও বলেন, “লাউতারোর জায়গায় থাকা মোটেও সহজ নয়। সে দলে জায়গা হারিয়েছে, হুলিয়ান এসে দুর্দান্ত খেলছে। কিন্তু লাউতারো যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। ইতালির সর্বোচ্চ গোলদাতাকে বেঞ্চে রাখা কোনো সহজ সিদ্ধান্ত নয়। সে অবশ্যই অসন্তুষ্ট, �

Leave a Comment