ইঞ্জিন সংকট: রেল পণ্য পরিবহন কমছে
ইঞ জ নস কট – রেলওয়েতে লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) অভাবের কারণে কনটেইনার পরিবহন কার্যক্রমে ব্যাপক চাপ দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকা রুটে নিয়মিত ট্রেন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় কনটেইনার পরিবহনে গুরুতর প্রভাব পড়ছে। এ সংকটের ফলে বন্দরে কনটেইনারের জমাট বাঁধা হচ্ছে, যাতে আমদানি পণ্য সরবরাহে বিলম্ব ঘটছে।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে মাসভেদে কনটেইনার ট্রেনের ট্রিপ সংখ্যা ব্যবহার করে ওঠানামা করেছে। মার্চ ও এপ্রিলে সর্বোচ্চ ১৪০টি ট্রিপ হয়েছিল, যারপর থেকে ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। মে মাসে ট্রিপ হয় ৬২টি, যা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। চলতি বছরেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। এপ্রিল থেকে ট্রিপের সংখ্যা কমতে শুরু হয়।
“লোকোমোটিভের স্বল্পতার কারণে চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে কনটেইনার ট্রেন পরিচালনা আগের মতো করা যাচ্ছে না। যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। তাই প্রথমে যাত্রীবাহী ট্রেন চালানোর জন্য ইঞ্জিন বরাদ্দ দিতে হয়, এরপর যা থাকে তা দিয়ে কনটেইনার ট্রেন চালাতে হয়। প্রতিদিন কনটেইনার ট্রেন পরিচালনায় তিন থেকে চারটি লোকোমোটিভের প্রয়োজন হয়। কিন্তু আমরা কোনো দিন দুটি, আবার কোনো দিন তিনটি দিতে পারি। এ কারণেই কনটেইনার পরিবহন কিছুটা কমেছে।”
রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানায়, বর্তমানে রেলওয়ে বহরে মোট ২৭১টি লোকোমোটিভ রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে ১৭৭টি সচল। সচলগুলোর মধ্যে মিটারগেজ ইঞ্জিন ৯০টি ও ব্রডগেজ ৮৭টি। বাকি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে আছে। মিটারগেজের প্রায় ৬৫ শতাংশ ও ব্রডগেজের প্রায় ৪৫ শতাংশ ইঞ্জিন মেয়াদোত্তীর্ণ। কিছু বিকল ইঞ্জিন মাঝেমধ্যে মেরামত করা হলেও কোনো কোনোটি অল্প সময়ে আবার বিকল হয়ে পড়ছে। এ সমস্যার কারণে মেরামত ও যন্ত্রাংশ গুণগত মান ও রক্ষণাবেক্ষণব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
গত ২৯ জুন পাঠানো অভ্যন্তরীণ জরুরি বার্তায় বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম গুডস পোর্ট ইয়ার্ডে বর্তমানে ৫৪৬ টিইইউস কনটেইনার জমে রয়েছে। এই সংখ্যা ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ হয়েছে, যেহেতু ইয়ার্ডের সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ৮৮৭ টিইইউস। পাশাপাশি তিনটি তেলবাহী ট্রেনের রেকও আটকে আছে। প্রতিদিন অন্তত ৬-৭টি লোকোমোটিভ প্রয়োজন ছিল, কিন্তু ইঞ্জিনের অভাবে তা সময়মতো পরিচালনা করা যাচ্ছে না।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিকল্পনা জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, “যেভাবে রেললাইন স্থাপন করা হয়েছে, সেভাবে লোকোমোটিভের সংখ্যা বাড়ানো হয়নি। পণ্য পরিবহনে ইঞ্জিন সংকটের বিষয়টি আমাদের মাথায় আছে। ইঞ্জিন সংখ্যা বাড়াতে আমরা কাজ করছি। বেসরকারি বিন
