সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল: অচল কারখানার পেছনে মাসে ব্যয় ৭০ লাখ টাকা
স র জগঞ জ র জ ত – সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল লিমিটেড বর্তমানে অচল অবস্থায় রয়েছে। কয়েক বছর ধরে কারখানাটি অকাজে রয়েছে এবং এর পেছনে মাসে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৭০ লাখ টাকা। প্রায় হাজারো শ্রমিক এবং মানুষের কর্মসংস্থানের সূত্র ছিল কারখানাটির কারণে, এখন তারা মাত্র মরিচা ধরে চলছে। অচল অবস্থার কারণে মিলটি অনেকটা অপরিচিত হয়ে আসছে, কিন্তু এটি কি হাল ফিরেছে নাকি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে, সে বিষয়ে স্পষ্টতা নেই।
জাতীয় জুট মিলের গুরুত্ব
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়পুর অঞ্চলে অবস্থিত সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল লিমিটেড এখন পর্যন্ত সেই অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রধান আয়ের উৎস হিসাবে কাজ করেছিল। প্রায় ৭৫ একর জায়গায় গড়ে ওঠা কারখানাটি আমাদের স্থানীয় সম্পদ নিয়ে গড়ে ওঠেছিল। এখন কিন্তু সেই বৃহৎ স্থাপনাটি বন্ধ হয়ে গেছে যে কারণে বিশেষ ভাবে প্রতিক্রিয়া চাই।
বিপুল ব্যয় এবং কারখানার সমস্যা
মিলটি বারবার অচল অবস্থায় রয়েছে যে কারণে মাসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছে বিপুল পরিমাণে মেশিনারী ও যন্ত্রাংশ। সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলের প্রতি দুর্নীতি ও অপদক্ষতা ছাড়া অন্য কোনো কারণে এই অবস্থা হয়েছে। প্রতি মাসে ব্যয় হওয়া দুর্দান্ত অর্থনৈতিক খরচের কারণে কারখানা চালু রাখা কঠিন হয়ে আসছে।
শ্রমিকদের সংকট
রতন আলী নামের এক শ্রমিক বলেন, সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল চালু থাকলে সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা আয় হতো। সংসার ভালোই চলত। মিল বন্ধ হওয়ার পর বাধ্য হয়ে ঘটকালি করছি। পাশাপাশি সামান্য জমিতে কৃষিকাজ করে কোনোমতে সংসার চালাচ্ছি।
বেলাল হোসেন নামের আরেক শ্রমিক বলেন, সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলই ছিল পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস। এখন বিভিন্ন কাজ করে কোনো রকমে সংসার চলছে। মিল আবার চালু হলে আমাদের মতো পুরোনো শ্রমিকদের কাজে নেও।
সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলের বন্ধ হওয়া স্থানীয় অর্থনৈতিক সমস্যার সূত্র হিসেবে কাজ করেছে। প্রতিদিন অসংখ্য শ্রমিক অনুপার্জিত আয়ের কারণে ক্ষীণ হয়ে আসছে। এর সঙ্গে স
