Sports

কোমেনেনসিয়া: একটি ফোনকল থেকে বিশ্বকাপে কুরাসাওয়ের ইতিহাস

কুরাসাওয়ের বিশ্বকাপে ইতিহাস বিপ্লব

ক ম ন নস য় – চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিপক্ষে গোল করেছে প্রথমবার বিশ্বকাপে মাঠে নামা দেড় লাখ জনসংখ্যার দেশ কুরাসাও। প্রস্তুতি ছিল না যে ইয়ুর্গেন লোকাদিয়ার দ্বারা বক্সে বাধা দেয়া প্রথম শটটি বার্সার জালে পৌঁছেছিল জার্মান ডিফেন্ডারদের ব্লক করা সত্ত্বেও। সেই বলটি বক্সের ভেতর থেকে ছিটকে আসার পর সুযোগ বাঁধে নেয় কোমেনেনসিয়া গোলে লক্ষ্য করে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে কুরাসাওয়ের ফুটবল ইতিহাসে প্রথম গোলদাতা হিসেবে তাঁর নাম রেখেছে লিভানো কোমেনেনসিয়া। হিউস্টন থেকে হাজার মাইল দূরের সেই দক্ষিণ ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্রে আনন্দের সুনামি বয়ে যাচ্ছে যখন নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা হচ্ছে। এটি নিয়ে আপনি কখনো চিন্তা করেন নি যে এই অবিশ্বাস্য স্বপ্নের শুরুটা হতে পারত আলাদা।

একটি ফোনকল সত্যিই পরিবর্তন এনেছিল

মাত্র বছর দুই আগে তুরিনে একটি ফ্ল্যাটে মোবাইল স্ক্রিন দেখছিলেন কোমেনেনসিয়া। অজানা নম্বর থেকে এসেছিল কুরাসাও দলের টিম ম্যানেজার। সেই সময় তাঁকে বিশ্বকাপে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। কোমেনেনসিয়ার মনে হয়েছিল যে সেই ডাচ অধিনায়ক কখনো মজা করছেন। কিন্তু হৃদয়ের টান ও বাবার সাথে আলোচনার পর তিনি বেছে নেন জন্মভূমির পাশে থাকার সিদ্ধান্ত।

অনুশীলনের বীজ ভোরে বুঝেছিল এক ছোট কিশোর

পিএসভি আইন্দহোভেনের একাডেমিতে দীক্ষা হচ্ছিল কোমেনেনসিয়ার ফুটবল। পরিবারে কোনো গাড়ি ছিল না। ট্রেনে দৌড়াতে হতো তাঁকে ভোরে ঘুম থেকে উঠে। গোলযোগের জন্য আপনি ক্লাবে পৌঁছতে দেরি করেছিল যান্ত্রিক গোলে। কিন্তু পরিশ্রম ও সহনশীলতা তাঁকে মানসিকভাবে কঠিন করে গড়ে তুলেছিল।

দেড় বছর পর পিএসভি স্টেডিয়ামে নিজের পেশাদার চুক্তি স্বাক্ষর করতে দেখা গেল কোমেনেনসিয়াকে। তখন তাঁর বাবা-মায়ের চোখে জল চলে এসেছিল। ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্তাসে পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বিতা বৃদ্ধি করেছিল তাঁর চারপাশে।

‘আমাদের বেশ কিছু বাধা-বিপত্তির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। মাঠগুলো সবসময় ভালো ছিল না, ফ্লাইট ও যাতায়াত নিয়ে সমস্যা ছিল, হোটেল বুকিং বাতিল হ

Leave a Comment