একট মহ ষ র ক হ ও তার বীরত্ব: এক আত্মঘাতী চুম্বক হিসেবে দেখা হয়েছিল
একট মহ ষ র ক হ ন – গত বছর ডিসেম্বরে রাজশাহীর তানোর উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে একট মহ ষ র ক হ ন ঘটনা ঘটে। তার নিকট থেকে একটি পানির গর্তে পড়ে মৃত্যুর সম্মুখীন হয়। গর্তটি ছিল ৪ ফুট ব্যাসার্ধ এবং গভীরতা প্রায় ৮০ ফুট। চারপাশে বাঁশের চাটাই দেওয়া ছিল যেন মাটি ধসে পড়ে না। কিন্তু মহিষটি তার গভীরতার কথা জানত না বলেই পড়ে গেল সেই গর্তে। এই ঘটনাটি স্থানীয় সম্প্রদায়কে খুব আঘাত করেছিল কারণ এটি একটি সামাজিক ও আর্থিক আঘাত সৃষ্টি করেছিল।
গর্তের সম্পর্ক এবং বিকাশ খা খা এর সংসার
বিকাশ খা খা হলেন যাঁর দেড় লাখ টাকার ঋণ নিয়ে মহিষ কিনেছিলেন। তাঁর সংসারে দুইটি মহিষ ছিল, কিন্তু এখন একটি আর নেই। তিনি যে গর্তটি স্থানীয় কমিশনারের প্রস্তাব অনুযায়ী নিরাপত্তা প্রদান করেছিলেন, কিন্তু মহিষটি তার সামনে পড়ে একটি সংকটে পরিণত হয়েছিল। পানির সংকটের কারণে গভীর নলকূপ স্থাপন না করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোয়েলহাট গ্রামে এই গর্তটি খুঁড়ে পশু ও মানুষের জীবন ঝুকিতে ফেলা হয়েছিল। কমিশনার এবং বিএমডিএ এর কাছে তারা প্রতিক্রিয়া পেয়েছিল যে এখনও নলকূপ স্থাপন হবে না।
যাক বাবা, কোনো মানুষ তো নয়।
বিকাশ খা খা তার মহিষ হারিয়ে কীভাবে ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। মহিষটি ছিল সংসারের প্রধান শ্রমিক এবং স্থানীয় ব্যবসায়ের প্রধান ভার। তার মৃত্যু স্থানীয় কমিশনার ও বিএমডিএ কর্তৃপক্ষকে ধারণা দিয়েছিল যে প্রকল্পের গুরুত্ব অনেকটা কমিয়ে গেছে। তার সংসারে মহিষের ঘুরে পড়া কারণে সারা দেশে বিস্ময় ছড়িয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে মহিষের মৃত্যু ছিল গর্ত থেকে একটি অনুপাতিক বিপর্যয় হিসেবে মনে হয়েছিল।
সমাজের সমালোচনা এবং তদন্ত
গর্ত খুঁড়ার কারণে মহিষের মৃত্যু হয়েছিল সে ঘটনার পর সারা দেশ আলোড়িত হয়েছিল। তার কাছে মৃত্যু ঘটেছিল এমন ঘটনা ছিল প্রকল্প কর্মকর্তাদের কাছে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছিল। একট মহ ষ র ক হ ন ঘটনার পর কেউ কেউ মনে করেছে যে প্রকল্পের গভীরতা কমানো উচিত ছিল। বিএমডিএ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে কোনো সময় নলকূপ স্থাপন করবে তবে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।
মহিষের মৃত্যুর পর বিকাশ খা খা তার বিচারের আওতায় আনা হয়েছিল যে তিনি প্রকল্পের �
