এবার ডায়রিয়া সংক্রামক রোগ বান্দরবানে আক্রমণ করেছে
এব র ড য়র য় – এবার ডায়রিয়া সংক্রামক রোগ হাম থেকে আক্রান্ত শিশুদের পর নতুন সংকট তৈরি করেছে। তার প্রতিকূল পরিস্থিতি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় প্রাণ হারানোর সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রী ইউনিয়নে এই রোগ এখন ছড়িয়ে পড়েছে, যা শিশুদের জন্য বিশেষ ভয়েশ্চিত করেছে। হাম আক্রান্তদের চিকিৎসার সুবিধা ছিল না, তবে এখন ডায়রিয়া সংক্রমণের নতুন স্তরে পৌঁছেছে।
পাহাড়ি এলাকার স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ
রেমাক্রী ইউনিয়ন পাহাড়ি এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানে স্থানীয় বাসিন্দারা কুয়া, ঝিরি ও নদী পানি ব্যবহার করে। এই পানির গুণ কখনও কখনও অনুমানের বাইরে থাকে। তবে এবার ডায়রিয়া জীবাণু স্বাস্থ্য সমস্যার নতুন উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। হাম রোগের পর এখন পর্যন্ত এই এলাকার মানুষদের পরিষ্কার পানি নিশ্চিত করা হয়েছে কিনা তা অবিচ্ছিন্ন প্রশ্নে উঠছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর ভরসা করে এবার ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। রেমাক্রীতে মাত্র ৫০ জন বাচ্চা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশই স্কুলশিক্ষার্থী। তবে ক্ষমতার সীমাতীত এই রোগ সামনে এখন পর্যন্ত মেডিকেল ক্যাম্পে পরিচালিত হচ্ছে।
ডায়রিয়া সংক্রমণের মূল কারণ
বান্দরবানের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এবার ডায়রিয়া সংক্রামক রোগের কারণ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। কুয়া ও নদী পানি ব্যবহার করে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের দৃঢ় প্রয়োজন হয়েছে। আক্রান্তদের জন্য ওষুধ ও স্যালাইন বিতরণের ব্যবস্থা করে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ আশ্বাস দিয়েছেন যে রেমাক্রীতে এবার ডায়রিয়া আক্রান্তদের প্রতিকূল অবস্থা থেকে বাঁচানো হবে।
বিশেষ করে উপজেলা সদর থেকে আলাদা অঞ্চলগুলোতে এবার ডায়রিয়া সংক্রমণের দরুন পরিবারের অবস্থা বিপন্ন হয়েছে। অনেক বাসিন্দা এখন মৌলিক অধিকার সম্পর্কে চিন্তিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজের ক্ষমতা সম্পূর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তা প্রতিক্রমণ করা আবশ্যক।
অন্যান্য বিষয়গুলো মানুষের জীবন রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে এবার ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের প্রতিকূল পরিস্থিতি তাদের রোগ সাময়িক হওয়ার চেয়ে বেশি ঘোরাফেরা করছে। আক্রান্তদের সম্পূর্ণ আয়ু রক্ষা করতে বিশেষ প্র
