ঈদের দিন কি নামবে স্বস্তির বৃষ্টি, যা জানা গেল পূর্বাভাসে
ঈদ র দ ন ক ন মব – আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদুল আজহার আগের দিন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময় ঢাকাসহ কয়েকটি জেলায় কালবৈশাখী বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে গরমের দাপট কমতে দেখা যাচ্ছে না। এবারের তাপমাত্রা বৈশাখ মাসে কিছুটা শীতল ছিল, কিন্তু এখন দিনের ব্যাপ্তি বেড়ে গেছে।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। গতকাল যশোর জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। ঢাকায় এটি ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানান, বছরের মে ও জ্যৈষ্ঠ মাসে এই অঞ্চলের স্বাভাবিক আবহাওয়া হল তাপপ্রবাহ।
আজ রোববার বিশেষ সম্পর্কে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আবুল কালাম মল্লিক বলেন, আমাদের দেশের পার্শ্ববর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও দিল্লি অঞ্চলগুলি থেকে প্রচুর গরম বাংলাদেশের দিকে আসছে। বর্ষাকালে বৃষ্টি হলেও গরম অনুভূত হয়। তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও থেমে যাওয়ার পর তা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে বর্ষাকালে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানান, দেশে গরম কমছে না। আগামী ১০ দিন উষ্ণ আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে। কখনো কখনো হালকা বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা খুব কম হবে না।
অনুমান অনুযায়ী, ঈদের দিন ভোরে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু সকালে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। অতি শীতল বৈশাখ মাসে অঞ্চলগুলি আবার তাপপ্রবাহে পড়েছে। এ ছাড়া বঙ্গোপসাগর থেকে আসা বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্প রয়েছে। জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হলে গরম অনুভূত হয় বেশি।
