মাটি কাটার অপরাধ সেতু নির্মাণে ঘটেছে
ম ট ক ট – মাটি কাটা বিজ্ঞানের মতে পানিতে ভেসে থাকতে পারে, ডুবে যেতে পারে, কিন্তু দাঁড়ানোর জন্য মাটি কাটার প্রয়োজন হয়। হাঁটুপানিতে দাঁড়ানো সম্ভব কারণ পা মাটিকে স্পর্শ করে। কিন্তু বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের সেতুর পিলারগুলি এই নিয়ম বিপর্যস্ত হয়েছে। প্রকাশিত খবরে জানা যায় যে সেতুটির পিলারের গোড়া থেকে মাটি কাটে নেওয়া হচ্ছে ইটভাটায়। স্থানীয়দের অভিযোগ পিলারের পাশ থেকে মাটি কাটার পাশাপাশি সিমেন্টের ব্লকগুলি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। চলাচলের রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে এবং পিলারগুলি ঝুঁকিতে পড়েছে।
মাটি কাটার জন্য কারা দায়িত্ব বহন করছেন?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাটি কাটার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু কে তুলছে মাটি কাটার কাজ? এটি জানে না এলাকার বাসিন্দারা। তবে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণস্বাক্ষর করে দিয়েছিল। কারণ মাটি কাটার আপত্তি জানানোর ফলে তাদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে।
মাটি কাটার কারা করছে তাদের কাছে একটি কাগজ দেখিয়ে দাবি করা হয়েছে যে মাটি কাটায় তাদের কোনো বাধা নেই, বরং অনুমতি আছে।
সেতু নির্মাণে খনন কাজের দুর্দশা
সেনাবাহিনী প্রকল্পটির দায়িত্বে রয়েছে কিন্তু প্রকল্পের নির্মাণকারী সংস্থা চায়না কোম্পানি থেকে নাকি তারা মাটি কাটার ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছে। এখানেই রহস্যের শুরু। পিলারের নিচ থেকে অন্তত ৬ ফুট গভীর খনন করে মাটি কাটা হয়েছে। মাটি কাটার ফলে ভিত্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে, পিলার কাত হয়ে যেতে পারে বা নিচে বসে যেতে পারে। যদি ভিত্তির ক্ষতি গুরুতর হয় তবে পুরো কাঠামো ভেঙে পড়ার আশঙ্কা ছিল। মাটি কাটার প্রক্রিয়াটি নির্মাণের নিরাপত্তা ক্ষতি করছে।
মাটি কাটার কারণে চলাচলের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাটি কাটার পরিমাণ বাড়তে থাকলে পিলারগুলি ভাঙার ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। মাটি কাটার কাজ পরিচালনার জন্য তদন্বন চালু করা হয়েছে। কিন্তু পরিচালনার জন্য মাটি কাটার সাথে সম্পর্কিত প্রতিটি বিষয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা দরকার।
মাটি কাটার সম্পর্কে জেনেছেন কি? সেতু নির্মাণের জন্য মাটি কাটার সংখ্যায় অতিরিক্ত জায়গা সরাসরি খনন করা হয়েছে। মাটি কাটার ফলে ভূমির প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে। মাটি কাটার কাজটি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়া চলছ
