কৃষকের কান্না: হাতিয়া উপজেলার জোয়ার ও বৃষ্টি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত ফসল এবং বিপাক
ক ষক র ক ন ন – বর্তমানে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় কৃষকের কান্নার অবিস্মরণীয় ধ্বনি শোনা যাচ্ছে। কয়েক দিনব্যাপী ভারী বৃষ্টি এবং জোয়ারের পানির কারণে প্রায় ২৫,০০০ হেক্টর জমির বিপুল পরিমাণ ফসল হারিয়েছে। কৃষি বিভাগ প্রকাশ করেছে যে, এ সময়ে প্রায় ৮০ হাজার কৃষকের প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে। সেই কৃষকের কান্না বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অবিস্মরণীয় ক্ষতি এবং অর্থনৈতিক সমস্যা
হাতিয়া উপজেলার কৃষকদের প্রায় সবগুলো ক্ষেত সবজি চাষে ব্যবহৃত হয়। কৃষকের কান্না প্রাণিমূলক ক্ষতির পরিচয় দিচ্ছে যেহেতু বিপুল পরিমাণ সবজির গাছ ভেঙে পড়া, আউশ ধান ও আমনের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাওয়া মানে পুরো বছরের খাদ্য উৎপাদনের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়া। কৃষকের কান্না না শেষ হওয়া পর্যন্ত ব্যাপক পরিমাণ আয়ের ক্ষতি ক্ষেত্রে সরকারকে দ্রুত সমাধান খুঁজতে হবে।
জোয়ারের পানি ভাঙিয়ে দিয়েছে কৃষিকাজ ও অন্যান্য খাদ্য উৎপাদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াকে। বর্ষা পর্বে সংসারের খরচ, সন্তানদের পড়াশোনা এবং নতুনভাবে চাষ করতে গেলে অনেক টাকার প্রয়োজন হচ্ছে। কৃষকের কান্না স্থায়ী ক্ষতি থেকে মুক্তি পাবার জন্য সরকারের কাছে একটি আবেদন হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
গৃহীত ব্যবস্থা এবং কৃষকের কান্নার প্রতিক্রিয়া
হাতিয়ায় প্রায় ২০ কোটি টাকার বেশি ক্ষতির সম্ভাবনা ছাড়া সরকারকে তাঁদের সমর্থন করতে হবে। কৃষকের কান্না তাদের পুনরায় চাষ করার জন্য আরও বেশি পুঁজি জুটানোর প্রয়োজন করছে। বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার প্রয়োজন আছে যেন কৃষকের কান্না দীর্ঘ সময়ের জন্য আংগীকারিতা হতে পারে।
সরকারের প্রতি আশা করা হচ্ছে, বিনা মূল্যে বা স্বল্পমূল্যে আমন ধান এবং সবজির বীজ প্রদান করা হবে। এছাড়াও পানের বরজ, মরিচ ও ফলচাষিদের জন্য সহজ শর্তে সুদমুক্ত দীর্ঘমেয়াদি কৃষিঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। এ অবস্থায় কৃষকের কান্না প্রতিরোধে তাদের আর্থিক সমস্যার সমাধান হতে পারে।
প্রাথমিক প্রণোদনা ছাড়া হাতিয়ার সংকট স্থায়ী হয়ে যাবে। উপকূলীয় বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ সংস্কার করা এবং জোয়ারের পানি প্রবেশ রোধের জন্য আধুনিক স্লুইসগেট নির্মাণ করতে হবে। কৃষকের কান্না এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এমন আপনাদের কান্নার দিন বাঁচানো যায়।
সরকারের বর্ত
