National

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ২০ হাজার কিমি নদী-খাল পুনঃখননের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ ও নদী-খাল পুনঃখনন ঘোষণা

২৫ ক ট ব ক ষর পণ – বিশ্ব পরিবেশ দিবসে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বৃক্ষমেলা ও পরিবেশ মেলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, মানুষের অস্তিত্ব ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধু বার্ষিক আনুষ্ঠানিক কাজ হিসেবে থাকা উচিত নয়, বরং এটি মানুষের সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হতে হবে।

পরিবেশের সম্পর্ক গভীর

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাস্তুতন্ত্র ও মানবসমাজের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। সেই কারণে নিরাপদ বাস্তুতন্ত্র ছাড়া মানুষের ভবিষ্যৎ নিরাপদ হবে না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সামাজিক ও আর্থিক উন্নয়নের জন্য পরিবেশ রক্ষা আগে থাকা উচিত।

পবিত্র কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, আল্লাহ পৃথিবীর সবকিছু মানুষের জন্য সৃষ্টি করেছেন। নদী নালা, গাছপালা, কীটপতঙ্গ এবং বন্য প্রাণী সবই মানুষের উপকারে আসে। তবে এই সৃষ্টির সুফল গ্রহণের জন্য মানুষের দায়িত্ব রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধু গাছ লাগানো হলে যথেষ্ট হবে না। কোন পরিবেশে, কী ধরনের মাটিতে কোন গাছ রোপণ করা উচিত তা বৈজ্ঞানিক গবেষণার আবশ্যক। তিনি মত দেন যে নতুন গাছ রোপণের সাথে সাথে পুরোনো গাছগুলো অযথা কেটে ফেলা হোক না কেন, জীববৈচিত্র্য রক্ষণ করতে হবে।

নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য পরিকল্পনা

বৃক্ষরোপণের প্রকল্প সম্পর্কে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণ পাশাপাশি এগিয়ে যাওয়া আবশ্যক। পরিবেশ আলাদা খাত হিসেবে নয়, জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। লক্ষ্য হচ্ছে সবুজ, পরিচ্ছন্ন এবং জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গঠন করা।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। বিশেষ করে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, আগামী প্রজন্মের জীবন সুরক্ষিত করার জন্য সবুজায়ন অপরিহার্য।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার পরিবেশ রক্ষার জন্য কৃষি ক্ষেত্রে নিশ্চিত করছে পানি ও জমির সুরক্ষা। ক্ষেত্রে পরিবেশবিদ ও বনবিদদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নদীকে রক্ষা করা না হলে কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা �

Leave a Comment