আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী
আগ ম স সদ ন র ব – আগামী সংসদ নির্বাচন বিষয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান স্পষ্ট ঘোষণা করেন যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে। তিনি আরও বলেন যে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং তাদের বিলোপের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বিএনপির আন্দোলনের ফসল হিসেবে পরিচিত হয়েছে। এই ঘোষণা প্রতিবেদনের জন্য সর্বোচ্চ আদালতের আপিল খারিজ করার পর তা ঘোষণা করা হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাথমিক কাজ
বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আগামী সংসদ নির্বাচনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে গণভোট এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরে আসে বলে সর্বোচ্চ আদালত ঘোষণা করেছে। আইনমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দ্বারা বিলোপসহ পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং মানুষের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
আইনমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বীদের সমন্বয় করবে এবং তাদের নির্বাচনের জন্য নিরাপত্তি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে ৫৪টি বিষয়ে তাদের পুনরায় প্রয়োগ করা হবে এবং চারটি বিষয়ে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে যা জন-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে। সংবিধানের আপেক্ষিক পরিবর্তন সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত এবং আপিল প্রক্রিয়া
গত ৩ নভেম্বর সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সম্পর্কে সর্বোচ্চ আদালত রায় দিয়েছেন। রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে এবং তা বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে খারিজ করা হয়। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে চার বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ জারি করেন।
প্রতিবেদক বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া আপিল করেন। তিনি পঞ্চদশ সংশোধনীর সম্পূর্ণ বাতিল চান। তবে আপিলের ফলে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়নি। আইনমন্ত্রী জানান যে আগামী সংসদ নির্বাচন এই রায় এবং জন-আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে পুনরায় চালু হবে।
“ইনশা আল্লাহ, আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাব
