প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য
স ঙ গ প র ব ক – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের সার্বিক উন্নয়ন এবং সামাজিক স্থায়ীতা বাস্তবায়নে মানুষের স্বাধীন অংশগ্রহণের ওপর জোর দিয়ে বলেন, সিঙ্গাপুর বা কানাডার মডেলের অনুসরণে নয়, বাংলাদেশের নিজস্ব সম্ভাবনা ব্যবহার করে দেশকে আরও উন্নত ও বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। গত সাড়ে চার মাসে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করে তিনি প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের অভাব ও তৎকালীন উন্নয়ন কাজের অগ্রগতির প্রতি প্রশ্ন তুলেছেন।
আত্মনির্ভরশীল উন্নয়নের আহ্বান
বিশ্বের দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, সুশৃঙ্খল শহরের ভাবনা প্রতিষ্ঠা করতে বৈচিত্র্যপূর্ণ সমাজের একত্রীকরণ প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না। বাংলাদেশকে আমি একটু বেটার (আরও ভালো) বানাতে চাই।”
এ সমাবেশে সার্বিক বিকাশ এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে কক্সবাজারের পরিচ্ছন্নতা ও সড়ক পরিচালনার বিষয়ে উল্লেখ করেন তিনি। জামে থাকা প্রচুর কাজ সম্পন্ন করে সামগ্রিক পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “গত ১৭ বছরে সেই কাজগুলো হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা হয়নি।”
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও মেরিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিশ্রুতি
পর্যটন ও সামুদ্রিক সম্পদের প্রতি জোর দিয়ে তিনি আশ্বাস দেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নত করার জন্য কাজ দ্রুত গ্রহণ করা হবে। সাথে সাথে একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সরকারি কর্মকাণ্ডের প্রধান ব্যক্তিবর্গ। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সমাবেশে অংশ গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী হাসিনা আহমদ।
সমাবেশের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে গাড়ি চালিয়ে মেরিন
