National

ক্ষতিগ্রস্ত ২২ হাজার ঘরবাড়ি

ক্ষতিগ্রস্ত ২২ হাজার ঘরবাড়ি

ক ষত গ রস ত ২২ হ – বন্যা আর পাহাড়ি ঢল চলছে ধীরে ধীরে হ্রাস পেয়েছে কিন্তু মূল ক্ষতির চিত্র আরও বেশি পরিস্থিতি দেখাচ্ছে। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় হাজার হাজার ঘরবাড়ি ভাঙা হয়েছে। কৃষি জমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যা আরও বেশি পরিমাণে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় দাবি ও হিসাব

সরকারি হিসাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দিনে দিনে বাড়ছে কিন্তু স্থানীয়দের মতে বাস্তবে ধ্বংসযজ্ঞ আরও বিস্তৃত। মৌলভীবাজারে কমলগঞ্জ, রাজনগর, কুলাউড়া ও সদর উপজেলায় নদী পানি ছুটে বন্যা দেখা দেয়। এতে জেলার প্রায় ২৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার কাঁচা ও আধা পাকা ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান বলেন, এসব তথ্য প্রাথমিক। পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতের কাজ চলছে।

অপর পক্ষে বাঁশখালীতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। মাটির ও আধা পাকা ঘরবাড়িগুলো ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়েছে যার ফলে হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী মোট ৩ হাজার ৯৩২টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে ২ হাজার ৪৯৩টি সম্পূর্ণ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত।

চট্টগ্রামে টানা ৯ দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ধস ঘটেছে। এতে জেলার প্রায় ৪৯ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে আড়াই লাখ মানুষ পানিবন্দী। টানা বৃষ্টির ফলে কক্সবাজারে ৩১ জন মৃত্যু হয়েছে যার মধ্যে পাহাড়ধসে ২০ জন নিহত।

কৃষি খাতে বড় ধরনের ক্ষতি

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় ভারী বর্ষণের কারণে কৃষি খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এতে প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে আউশ ধান, আমন বীজতলা, মৌসুমি সবজি, ফল, মরিচ, বরজ সহ বিশেষ করে কৃষকদের আর্থিক সংকটে ফেলেছে।

আবদুল বাছেদ সবুজ বলেন, ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন জেলা কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি সহায়তা পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

ভোলার মনপুরা দ্বীপে মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ১০০ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বেড়িবাঁধের ভেতর ও বাইরের নিম্নাঞ্চল ৫-৬ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

রাঙামাটির ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। ১২ জুলাইয�

Leave a Comment