Islam

কেপ ভার্দেতে যেমন চলছে মুসলমানদের জীবনযাত্রা

কেপ ভার্দেতে মুসলমানদের জীবনযাত্রা

ক প ভ র দ ত য – ২০২১ সালে কেপ ভার্দের সারাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ৪,৯১,২৩৩ জন হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছিল। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৪,৯০০ জন (১%) হিসেবে বিবরণ দেওয়া হয়েছিল।

মুসলিমদের আগমন কেপ ভার্দেতে ইতিহাসের প্রথম পর্বে সংঘটিত হয়েছিল। ১৪৬২ সালে পর্তুগিজ শাসনের শুরুতে সান্তিয়াগো দ্বীপের রিবেরা গ্রান্দেতে প্রথম বসতি গড়ে তোলা হয়। এই সময় মূলত ওলোফ ও মানদিলকা জাতিগোষ্ঠীর সান্তিয়াগো দ্বীপে এবং সাও ভিসেন্তে দ্বীপের মিনদেলোতে ক্রীতদাসদের মাধ্যমে ইসলামের ধারণা ছড়িয়ে পড়ে।

পর্তুগিজ শাসনকালে মুসলিম প্রচারকদের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করা হয়। কোরআন তিলাওয়াত বা মসজিদ নির্মাণের স্বাধীনতা প্রাপ্ত হয় কেপ ভার্দের স্বাধীনতা লাভের পর যখন তার সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।

ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (IOM) ২০২২ সালের সমীক্ষা দেখায় যে, কেপ ভার্দেতে বিদেশি বংশোদ্ভূত জনসংখ্যার ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ গিনি-বিসাউ ও ১১ দশমিক ৩ শতাংশ সেনেগাল থেকে এসেছে—যা এই অঞ্চলের সামগ্রিক মুসলিম জনসংখ্যার প্রধান অংশ।

সেনেগাল, গিনি-বিসাউ ও মালির মতো দেশগুলো থেকে আসা মুসলিম অভিবাসীরা প্রধানত সুন্নি মতাদর্শী। তারা ব্যবসা-বাণিজ্য ও সেবা খাতে কাজ করে স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখে।

ঔপনিবেশিক যুগে আখখেত ও গৃহস্থালি কাজের শ্রমিক হিসেবে তাদের স্থান ছিল। কিন্তু পর্তুগিজ কর্তৃপক্ষ ইসলামি রীতিনীতি দমন করতে প্রতিষ্ঠিত বিধিনিষেধ বলবৎ করেছিল। সেনেগাম্বিয়া ও আপার গিনি থেকে আসা মুসলিম ব্যবসায়ী এবং ক্রীতদাসদের মাধ্যমে এখানে ইসলামের আগমন ঘটে।

বোয়া ভিস্তা ও সাল দ্বীপগুলোতে সেনেগালিজ মুসলিম ব্যবসায়ীরা ২০০০-এর দশকে তাদের বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করে। কেপ ভার্দেতে মুসলিমদের অবকাঠামো সীমিত ও অনানুষ্ঠানিক থাকায় অনানুষ্ঠানিক কেন্দ্রগুলোতেই ঈদের জামাত ও রমজানের তারাবি অনুষ্ঠিত হয়।

২০২৫ সালের মে মাসে ইসলামি অ্যাসোসিয়েশন সরকারের কাছে জমি বরাদ্দ চেয়েছিল। তারা কেন্দ্রীয় মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রস্তাব দিয়েছিল। এই প্রকল্পটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ১৭টি দ

Leave a Comment