Health

কিশোরী মাতৃত্বের হার আবার ঊর্ধ্বমুখী: জরিপ

কিশোরী মাতৃত্বের হার আবার ঊর্ধ্বমুখী: জরিপ

ক শ র ম ত ত ব – বাংলাদেশে কিশোরী মাতৃত্বের হার পূর্ববর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে উন্নতি পেয়েছে। গত নভেম্বরে প্রকাশিত মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০২৫ এর প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, ১৫-১৯ বছর বয়সী প্রতি হাজার কিশোরী মেয়ের মধ্যে জীবিত সন্তান জন্মদানকারী মেয়ের হার প্রতি হাজারে ৮৩ থেকে বেড়ে ৯২ এর মুখে পৌঁছেছে। বাল্যবিবাহের চক্র এই হারের বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।

পরিবার পরিকল্পনার সীমিত সুযোগ

বাল্যবিবাহের ধারাবাহিকতার কারণে বাড়ছে কিশোরীদের সন্তান নেওয়ার ঝুঁকি। তাদের প্রতিযোগিতায় গর্ভধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্পর্কে যথাযথ পরামর্শ বা সহায়তা না থাকায় কিশোরী মাতৃত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরিণত শিশু প্রসব, মৃত সন্তান ও মা ও শিশুর অসুস্থতা, অপুষ্টি এবং মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।

১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোরীদের ক্ষেত্রে মাতৃত্বের হার প্রতি হাজারে ২০২২ সালে ছিল ৮৩, বর্তমানে তা ৯২। এই হারের সর্বোচ্চ প্রতি হাজারে ১১১ রংপুর বিভাগে, সিলেটে সর্বনিম্ন প্রতি হাজারে ৫০। এখনো ১৮ বছরের আগে বিয়ে হচ্ছে দেশের কিশোরী মেয়েদের ৫৬ শতাংশ।

‘অল্প বয়সে বিয়ে হওয়া মেয়েরা সাধারণত পরিবার ও স্বামীর সিদ্ধান্তে গর্ভধারণ করে। মাতৃত্বের ঝুঁকি, নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি কিংবা অপুষ্টির প্রভাব সম্পর্কে তাদের পর্যাপ্ত ধারণা থাকে না,’ বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম।

জন্মনিয়ন্ত্রণের সমস্যা

বাল্যবিবাহের প্রবণতার পাশাপাশি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারে সীমিত প্রবেশাধিকার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার অভাব কিশোরী মাতৃত্বের আরও বৃদ্ধি ঘটাচ্ছে। বিডিএইচএস ২০২২ অনুযায়ী, ১৫-১৯ বছর বয়সী কিশোরীদের ক্ষেত্রে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির মোট চাহিদা প্রায় ৬৭ শতাংশ। এর মধ্যে ১৩ শতাংশ চাহিদা পূরণ হচ্ছে না।

গত বছর তিনেক সময়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর মজুত সংকট কিশোরীসহ অনেক নারীর পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারে বাড়তি বাধা তৈরি করেছে। গর্ভধারণের সিদ্ধান্ত কিশোরীদের স্বামী বা পরিবারের অন্য সদস্যদের দ্বারা নেওয়া হয়। সামাজিক ও পারিবারিক কাঠামো তাদের মাতৃত্বের সম্�

Leave a Comment