৯০ মিনিটের নয়, ৩০ সেকেন্ডের ব্যায়ামও হতে পারে কার্যকর
Table of Contents
মাত্র তিন মিনিটের তীব্র ব্যায়ামে দুই ঘণ্টার মাঝারি কসরতের চেয়ে বেশি সুবিধা
Banglajibon.com – ৯০ ম ন ট র নয় ৩০ – দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততার কারণে অনেকেই নিয়মিত ব্যায়াম ছেড়ে দেন। কিন্তু গবেষকরা এক অসাধারণ ও বৈজ্ঞানিক তথ্য প্রকাশ করেছেন। নতুন এক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, আধা ঘণ্টার দীর্ঘ মাঝারি ধরনের শারীরিক পরিশ্রমের তুলনায় কেবল ত্রিশ সেকেন্ডের উচ্চমাত্রার এক্সারসাইজ শরীরের জন্য অধিকতর কার্যকর ও স্বাস্থ্যকর হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত রকফেলার ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা এই গবেষণাটি সম্পন্ন করেছেন। বিশ্বখ্যাত চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ‘সেল রিপোর্টার্স মেডিসিন’-এ এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণার পদ্ধতি ও ফলাফল
গবেষণার প্রধান লেখক ডা. পল কোহেন বলেন, ‘মাত্র কয়েক মিনিটের তীব্র শারীরিক ব্যায়াম শরীরের ভেতরে যে গভীর আণবিক সাড়া তৈরি করে, তা সত্যিই চমকপ্রদ।’ সাধারণত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ থাকে সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হালকা বা মাঝারি গতিতে দৌড়ানো বা সাইকেল চালানোর। তবে রকফেলার ইউনিভার্সিটির এই গবেষণায় ভিন্ন একটি পরীক্ষা চালানো হয়। গবেষকেরা এক্সারসাইজ বাইকে ত্রিশ সেকেন্ডের জন্য সর্বোচ্চ শক্তিতে ছয়টি দ্রুত স্প্রিন্ট দিতে বলেন। সেখানে প্রতিটির মাঝে চার মিনিটের বিশ্রাম। অর্থাৎ আধা ঘণ্টার মধ্যে সব মিলিয়ে তীব্র কসরতের সময় ছিল মাত্র তিন মিনিট।
এতে দেখা যায়, এই তিন মিনিটের তীব্র ব্যায়াম মানবদেহের ৭১৪টি রক্তের প্রোটিনে দ্রুত এবং ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। যেখানে দুই ঘণ্টার মাঝারি গতির ট্রেডমিল দৌড় কিংবা সাধারণ সাইক্লিং মাত্র কয়েকটি প্রোটিনকে প্রভাবিত করতে পেরেছে। ল্যাব পরীক্ষায় দেখা গেছে, ত্রিশ সেকেন্ডের স্প্রিন্ট সাইক্লিংয়ের পর সংগৃহীত রক্ত মানুষের চর্বি কোষের ১ হাজার ৬০০টির বেশি জিনকে সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় করেছে। যেখানে মাঝারি ব্যায়ামে তা ছিল মাত্র ২৫টি।
শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য উপকারিতা
আমাদের রক্তে থাকা প্রোটিনগুলো পুষ্টি উপাদান ও হরমোন শরীরের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত করে এবং সংক্রামক ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে। যখন মাত্র ত্রিশ সেকেন্ডের জন্য শরীরকে চূড়ান্ত চাহিদার মুখে ফেলা হয়, তখন হৃৎপিণ্ডের পেশি শরীরের বাকি অংশের সঙ্গে দ্রুত সংকেত আদান-প্রদান করতে বাধ্য হয়। ফলে কোষে কোষে একধরনের ‘সিগন্যালিং মলিকিউল’ ছড়িয়ে পড়ে, যা শক্তি খরচ এবং টিস্যু মেরামতের হার বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি এটি ‘ল্যাক-ফে’ নামক একটি অণুর মাত্রা বাড়ায়, যা ক্ষুধার তীব্রতা কমাতে সাহায্য করে।
যুক্তরাজ্যের ইউকে বায়োব্যাংকের ৫৩ হাজার মানুষের স্বাস্থ্য তথ্যের সঙ্গে গবেষণালব্ধ প্রোটিন লেভেল তুলনা করে গবেষকেরা দেখেছেন, এ ধরনের সংক্ষিপ্ত তীব্র ব্যায়াম হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায়। বিশেষ করে স্থূলতা এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো মেটাবলিক সমস্যা প্রতিরোধে এই স্প্রিন্ট থিওরি অভাবনীয় কাজ করে।
সূত্র: ডেইলি মেইল
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ৯০ ম ন ট র নয় ৩০?
৯০ ম ন ট র নয় ৩০ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ৯০ ম ন ট র নয় ৩০ matter?
৯০ ম ন ট র নয় ৩০ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
