পাঠ্যবইয়ে বদল: সরকার আসে, পড়া বদলায়
প ঠ যবইয় বদল – প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন চলছে আবারও। ক্ষমতার পালাবদলের পর পাঠ্যবইয়ে বদলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হচ্ছে। এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক স্তরের ৯৯টি এবং প্রাথমিক স্তরের ৩৬টি বই পরিমার্জনের কাজ চলছে। নতুন তিনটি বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে যেমন চতুর্থ শ্রেণিতে ‘ক্রীড়া এবং সংস্কৃতি’, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ এবং সপ্তম শ্রেণিতে ‘জীবন ও কর্মমুখী শিক্ষা’।
গত শতকের নব্বইয়ের দশক থেকে পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া পর নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় আইসিটি এবং শারীরিক শিক্ষা বইয়ে যুগোপযোগী বিষয়গুলো সংযোজন করা হয়। একাধিক গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ সম্পর্কে আলোচনা চালু করা হয়।
পাঠ্যবই পরিমার্জনের যুক্তি
শিক্ষাবিদেরা বলছেন, পাঠ্যপুস্তক গবেষণাভিত্তিক ও জ্ঞাননির্ভর হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু দেশে সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে সেই বিষয়গুলো আদর্শ অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। শিক্ষামন্ত্রণালয়ের অধীন এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বিবেচনা করে পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
“পাঠ্যবই প্রণয়নে একটি স্বাধীন ও স্থায়ী বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা প্রয়োজন, যা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে কাজ করবে।” — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক অধ্যাপক তাহমিনা আক্তার
সরকারের পরিবর্তনের পর পাঠ্যবইয়ে বিষয়গুলো আরও পরিবর্তিত হয়। ইতিমধ্যে চার দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের আলাদা কর্মশালা করা হচ্ছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তনের কাজ শেষ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এনসিটিবির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী বলেন, পাঠ্যবই প্রতিবছর কমবেশি পরিমার্জন হয়। এবার প্রতিশ্রুতি মূলক কাজে লাগানো হয়।
যথেষ্ট পরিবর্তন হচ্ছে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বইয়ে। আইসিটি বইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস ও সাইবার নিরাপত্তার মতো নতুন বিষয়গুলো যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া তথ্য শব্দচয়ন এবং ভাষাগত সংশোধনের কাজও চলছে। প্রচ্ছদ, ছবি ও মানচিত্রে নান্দনিক পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে নতুন তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও ফোর্সগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা, ১৯৭৫ �
