International

রহস্যজনকভাবে ডুবে যাওয়া রুশ জাহাজ নিয়ে নতুন উদ্বেগ, সন্দেহ

রুশ জাহাজের গোপন সমাপ্তি আবারও সন্দেহের আঁতার বাড়িয়েছে

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে প্রকাশ্য তথ্যে সন্দেহ জাগিয়েছে

রহস যজনকভ ব ড ব য ওয় – ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ভূমধ্যসাগরে রহস্যজনকভাবে ডুবে যাওয়া রুশ জাহাজের ঘটনায় আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সিএনএনের একটি গবেষণামূলক প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাহাজটি উত্তর কোরিয়ার জন্য সাবমেরিনে ব্যবহার করা যাওয়ার পারমাণবিক রিঅ্যাক্টরের যন্ত্রাংশ বহন করছিল। জাহাজটি রাশিয়ার উস্ত-লুগা বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে, যার প্রকৃত গন্তব্য হতে পারে উত্তর কোরিয়ার রাসন বন্দর। কিন্তু আনুষ্ঠানিক নথিতে গন্তব্য হিসেবে বলা হয়েছিল রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর ভ্লাদিভস্তক।

স্পেনের উদ্ধারকারীদের কাছে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে জাহাজটি একটি অনিশ্চিত রহস্য তুলে ধরেছিল। প্রকাশ্য ফ্লাইট তথ্য অনুযায়ী, ডুবুন জাহাজের স্থানে গত এক বছরে কমপক্ষে দুটি মার্কিন ‘নিউক্লিয়ার স্নিফার’ বিমান উড়েছে। জাহাজটি স্পেনের জলসীমায় প্রবেশের পর হঠাৎ গতি কমিয়ে ফেলে এবং স্পেনের উদ্ধারকারীদের সংযোগ করে জানায় যে সব ঠিক আছে। কিন্তু প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর জাহাজটি জরুরি সহায়তা চাইতে বার্তা পাঠায়। তখন এর ডান পাশে তিনটি বিস্ফোরণ ঘটে এবং দুই নাবিক মারা যায়।

গোপনীয়তা বজায় রেখেছে রাশিয়া ও স্পেন। কিন্তু এ বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে যে জাহাজটি অপরাহত হওয়ার পর অন্য বিস্ফোরণের শব্দ শনাক্ত হয়। স্পেনের জাতীয় ভূকম্পন নেটওয়ার্ক চারটি কম্পন নোংরা করে।

রুশ মালিকপক্ষ দাবি করেছে যে ঘটনাটি সন্ত্রাসী হামলার ফল। তাদের অনুসারে জাহাজের গায়ে একটি ৫০ সেন্টিমিটার আকারের গর্ত পাওয়া গেছে এবং ছড়িয়ে ছিল ধাতব টুকরা। স্পেনের তদন্তকারীদের ধারণা হয়েছে যে বিস্ফোরণটি প্রকৃতপক্ষে কোনো বিশেষ ধরনের টর্পেডো বা লিম্পেট মাইনের কারণে হতে পারে। এদিকে উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার কাছে পারমাণবিক প্রযুক্তি সহায়তা চেয়ে আসছে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া সাহায্য গ্রহণের পর উভয় দেশের সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়।

বিস্তারিত তদন্ত ও সম্ভাব্য বিস্ফোরণ কারণ

স্পেন সরকার ঘটনার পর তদন্তে ধারণা করেছ

Leave a Comment