বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রসার নিয়ে সংসদে বাজেট প্রস্তুত
লক ষ য বড় দ শ চ – বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রতিপাদ্য হিসেবে আনা হয়েছে ‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ: ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’ শিরোনাম। বাজেটটি মূল্যস্ফীতির চাপে জনগণের জন্য স্বার্থ বিবেচনায় তৈরি করা হয়েছে। যাতে মানুষের জীবনযাত্রা স্বাস্থ্যকর হতে পারে এবং অর্থনৈতিক গতি বৃদ্ধি পায়। আগামী অর্থবছরের লক্ষ্য হলো দেশের আয় ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকার মূল্য নির্ধারণ করা।
অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে বাজেটের প্রয়োজনীয়তা
অর্থনৈতিক গতি ধীর হওয়ায় বাজেটটি মাত্র আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়। সেই হিসাবে এখানে বিভিন্ন খাতে সুষম সমন্বয় তৈরির প্রয়াস থাকছে। আগামী অর্থবছরে সরকার কর ও রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে আয় প্রায় ৮৪ শতাংশ নির্ভর করছে। যদিও আগামী অর্থবছরে বাজেটের আয় লক্ষ্য হলো ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। তবে এর বেশি অংশ আয়ের জন্য অতিরিক্ত দাবি করছে।
অর্থনৈতিক গতি বৃদ্ধি করতে হবে স্বাস্থ্যকর উৎপাদন বাড়ানো ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে। তাই বাজেটে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিনিয়োগ ও উৎপাদনে সমন্বয় নিয়ে কাজ চালু হচ্ছে
বাজেটের মোট বিনিয়োগ লক্ষ্য জিডিপিতে প্রায় ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ ধরা হয়েছে। যাতে নতুন ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। এনবিআর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। তার কারণ হলো আমদানি কমে গেছে, করজালের সীমাবদ্ধতা ও অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির বিস্তার।
তবে সরকারের প্রত্যাশা হলো বৈদেশিক উৎস থেকে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে পারে এবং উৎপাদন সৃষ্টি করতে পারে। এই বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। যাতে কৃষি খাতে সরবরাহ সহজ হতে পারে।
বাজেট ঘাটতির প্রতিক্রিয়া
বাজেট ঘাটতি হবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। যাতে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নেওয়া হবে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা এবং ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা আসবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুসারে বাজেটে সবচেয়ে বড় বার্তা হলো নিত্যপ্রয়
