ফিচ রেটিংসের প্রতিবেদন: বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কা
ফ চ র ট স র প – ফিচ রেটিংসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তুলে উঠেছে। বাজেটে সরকারের স্থায়ী সম্ভাব্য সমস্যা হতে পারে এবং রাজস্ব আয় ব্যয়ের পরিকল্পনার চেয়ে স্থায়ীভাবে কম হতে পারে বলে ফিচ রেটিংস আশংকা প্রকাশ করেছে। রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত স্থায়ীভাবে ১০ দশমিক ২ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা একটি সুন্দর লক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
বাজেটের সর্বোচ্চ লক্ষ্য এবং সম্ভাব্য সমস্যা
ফিচ রেটিংস ব্যাখ্যা করেছে যে, বাজেটে রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের লক্ষ্য ক্ষমতার উপর নির্ভর করে স্থায়ী উন্নয়নের পথ প্রসারিত হতে পারে। সরকার আগামী অর্থবছরে এফডিআই জিডিপির ২ দশমিক ৭ শতাংশে বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যার কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের উপর আশেপাশে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলি কর আয় বৃদ্ধির পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বেশ কয়েকটি বাধা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।
ব্যাখ্যা করেছে যে সরকারের কর প্রশাসন ও ভ্যাট ব্যবস্থার সহজীকরণে প্রগতি ঘটানোর লক্ষ্য ছিল, কিন্তু এগুলি অতীতে দুর্বল গতির সাথে সম্পন্ন হয়েছে। ফিচ রেটিংস মন্তব্য করেছে যে, বাজেট বাস্তবায়নে ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হতে পারে কারণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করতে হবে। অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধান, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলএনজি অবকাঠামো শক্তিশালী করার উদ্যোগ ইতিবাচক বিবেচনা করা হয়েছে।
ফিচ রেটিংস দেশের ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাত, বেসরকারি খাতে দুর্বল ঋণ প্রবৃদ্ধি, নীতিগত দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তা নিয়ে মন্তব্য করেছে। সংস্থার মতে, সরকার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তা অর্জনে বেশ কয়েকটি বাধা আছে।
বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির জন্য ব্যয় মোট ২৯ দশমিক ৭ শতাংশ হতে পারে, যার সফলতা কর আহরণে স্থায়ী প্রগতি ছাড়া সম্ভব নয়। এখানে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা ও আর্থিক সংকট দূর করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা আছে। ফিচ রেটিংস নিশ্চিত করেছে যে আগামী অর্থবছরে সরকারের পরিকল্পনার সম্পূর্ণ বাস্তবায়নে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে কৃতিত্ব থাকবে।
ফিচ রেটিংস দেখেছে যে, বাজেটে সরকারের সামগ্রিক লক্ষ্য পূরণের জন্য বেশ কয়েকটি প্রাথমিক সমস্যা আছে। সে মন্তব্য করেছে যে, এ লক্ষ্য অর্জনে রাজস্ব আয়ের দৃষ্ট
