Business

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি কমেছে

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি হ্রাসের চিত্র উঠে এসেছে

য ক তর ষ ট র প – বিশ্বের সবচেয়ে বড় পোশাক বাজার যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বীদের আক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি হ্রাস হয়েছে ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ। এই সময় ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার প্রতিযোগিতা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে কম্বোডিয়া রপ্তানি বৃদ্ধি হয়েছে ১৪ দশমিক ৭ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের আকর্ষণ বৃদ্ধি করেছে স্পেশালিস্ট দেশগুলো

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মোট পোশাক রপ্তানি ২৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। গত বছরের একই সময় তা ছিল ২৯৮ কোটি ১৪ লাখ ডলার। চলতি বছরে রপ্তানি কমে দাঁড়িয়েছে ২৬৪ কোটি ৬২ লাখ ডলারে। অন্যদিকে ভিয়েতনাম রপ্তানি বৃদ্ধি করেছে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ায় ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ও কম্বোডিয়ায় ১৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এই গুরুতর পরিবর্তন ওটেক্সার তথ্যে প্রকাশিত হয়েছে।

“যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মোট রপ্তানি কমলেও উদ্বেগের বিষয় হলো—বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো একই বাজারে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। অর্থাৎ বাজার ছোট হলেও তারা বেশি অংশ দখল করছে।”

বাংলাদেশের রপ্তানি মূলত তুলাভিত্তিক বেসিক পোশাকের ওপর নির্ভরশীল। ওটেক্সার তথ্য অনুযায়ী প্রতিটি পোশাকের গড় মূল্য ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ কমেছে। কিন্তু কম দামে পণ্য বিক্রি করেও অর্ডার ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। এতে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ফেরেনি।

উৎপাদন খরচ ও ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রতিযোগিতা কমাতে সক্ষম করেছে

বিশ্লেষকদের মতে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া উচ্চমূল্যের ফ্যাশন পোশাক, স্পোর্টসওয়্যার এবং কৃত্রিম তন্তু ভিত্তিক পণ্যে ইউনিট মূল্য বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। চীন থেকে উৎপাদন স্থানান্তরের সুযোগ কার্যকরভাবে ব্যবহার করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে জ্বালানিসংকট, ডলার সংকট, ব্যাংক ঋ

Leave a Comment